• শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ১০:১৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
কৃষিপণ্য আমদানিনির্ভরতা থেকে বেরিয়ে আসাই সরকারের লক্ষ্য: কৃষিমন্ত্রী রাজশাহীতে ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারের সেবার মান বাড়াতে কমিশনারের নির্দেশনা অনিয়ম, দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হওয়ায় নওগাঁর মান্দায় কালিকাপুর ইউপি চেয়ারম্যান সাময়িক বরখাস্ত নওগাঁ জেলা জামায়াতের নেতৃত্বে পরিবর্তন, নতুন আমির মাহফুজুর রহমান নর্থ বেঙ্গল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির প্রক্টরিয়াল টিমের সদস্য হলেন প্রভাষক আবু সাঈদ কুষ্টিয়ায় মৃত চেয়ারম্যানের নামে ১০৭ বস্তা চাল বরাদ্দ ফুলবাড়ী উপজেলার মাদিলাহাট ব্যবসায়ী সমিতির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। রাণীনগরে আগাম জাতের ধান কাটা শুরু কৃষকের ঘরে আসছে নতুন সোনালী ফসল রাণীনগরে নানা আয়োজনে জাতীয় যুব দিবস পালিত ফুলবাড়ীতে রাজমিস্ত্রি রুহুল আমিন হত্যার বিচারের দাবিতে লাশ সামনে রেখে মানববন্ধন।।

পোরশায় পটল পাতার বড়ায় জীবিকা নির্বাহ শফিকুলের

দিনকাল বিডি ২৪ / ৮৭ Time View
প্রকাশঃ রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬

পোরশা(নওগাঁ)প্রতিনিধি:

নওগাঁর পোরশা উপজেলা সদর নিতপুরে ব্যতিক্রমী এক
খাবার পটলপাতার তৈরী বড়া বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করছেন শফিকুল ইসলাম।
কোনো চটকদার বা নামী-দামী খাবার নয় দীর্ঘ আট বছর ধরে কেবল “পটল পাতার
তৈরী বড়া” বিক্রি করেই স্বাবলম্বী শফিকুল। এই পটলপাতার বড়া বিক্রি করে স্ত্রী,
পাঁচ ছেলে-মেয়ে সহ সংসার চালান তিনি। তবে কাহারও কাছে হাত পাততে হয়না
তাকে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার গোমস্তাপুরে জন্ম গ্রহণ করলেও পরিবার নিয়ে
দির্ঘ্যদিন বসবাস করছেন পোরশা উপজেলার নিতপুর মাস্টার পাড়ায়। শফিকুল
জানান, আট বছর আগে সামান্য পুঁজি নিয়ে উপজেলার গেটের পাশে ছোট
একটি দোকান ঘরে পটলপাতার বড়া বিক্রি শুরু করেন। শুরুতে অনেকেই এই খাবরটি
খুব ভাল মনে করতো না। চমৎকার স্বাদের কারণে অল্প দিনেই এই বড়া বেশ জনপ্রিয়
হয়ে ওঠে। প্রতিদিন বিকেল হতেই ভোজন প্রেমি ক্রেতারা তার দোকানে ভিড়
জমান। তিনি আরো জানান, শুরুর দিকে পটলপাতা সংগ্রহ করে বড়া ভেজে বিক্রি
করা কাজটা সহজ ছিল না। তারপরেও তিনি দমে যাইনি। আর বড়া তৈরি করতে বেশ
পরিশ্রম করতে হয়। এতে পটলপাতা সংগ্রহ থেকে শুরু করে মশলার সঠিক মিশ্রণ
সব তাকে নিজেই করতে হয়। আট বছর ধরে এই বড়া বিক্রি করেই চলে তার আমার
সংসার। সন্তানদের পড়ালেখাও চলছে এর আয় থেকে। প্রতিদিনি তিনি ২ হাজার
থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকার বড়া বিক্রি করেন। তবে মানুষের ভালোবাসাই তার এই
কাজের সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা বলে জানান তিনি।
​নিয়মিত দোকানে আশা কয়েকজন বড়া ক্রেতা জানান, শফিকুলের হাতের তৈরী পটল
পাতারবড়া অত্যান্ত মচমচে ও সুস্বাদু। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পরিবেশে তৈরি এই
বড়া এ এলাকার একটি জনপ্রিয় খাবারে পরিণত হয়েছে। দামে কম হওয়ায় সব
শ্রেণী পেশার মানুষ বড়াটি খায়। তারা জানান, ​কোন কাজই যে ছোট নয়,
শফিকুল ইসলাম আট বছর ধরে তা প্রমাণ করে চলছেন। তবে সরকারি বা বেসরকারি
সহযোগিতা পেলে তার এই ক্ষুদ্র ব্যবসাকে আরও বড় পরিসরে নিয়ে যেতে পারতো
বলে তারা মনে করছেন। শফিকুলের এই নিজ কর্মসংস্থানের প্রচেষ্টা সমাজের
বেকার যুবকদের জন্য এক দৃষ্টান্ত বলা যেতে পারে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category