• শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০১:১০ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
কৃষিপণ্য আমদানিনির্ভরতা থেকে বেরিয়ে আসাই সরকারের লক্ষ্য: কৃষিমন্ত্রী রাজশাহীতে ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারের সেবার মান বাড়াতে কমিশনারের নির্দেশনা অনিয়ম, দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হওয়ায় নওগাঁর মান্দায় কালিকাপুর ইউপি চেয়ারম্যান সাময়িক বরখাস্ত নওগাঁ জেলা জামায়াতের নেতৃত্বে পরিবর্তন, নতুন আমির মাহফুজুর রহমান নর্থ বেঙ্গল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির প্রক্টরিয়াল টিমের সদস্য হলেন প্রভাষক আবু সাঈদ কুষ্টিয়ায় মৃত চেয়ারম্যানের নামে ১০৭ বস্তা চাল বরাদ্দ ফুলবাড়ী উপজেলার মাদিলাহাট ব্যবসায়ী সমিতির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। রাণীনগরে আগাম জাতের ধান কাটা শুরু কৃষকের ঘরে আসছে নতুন সোনালী ফসল রাণীনগরে নানা আয়োজনে জাতীয় যুব দিবস পালিত ফুলবাড়ীতে রাজমিস্ত্রি রুহুল আমিন হত্যার বিচারের দাবিতে লাশ সামনে রেখে মানববন্ধন।।

সুন্দরগঞ্জে অনাবৃষ্টি ও খরায় ঝড়ে পড়ছে আমের গুটি

দিনকাল বিডি / ২২৯ Time View
প্রকাশঃ শনিবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৩

হযরত বেল্লাল, সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধিঃ
অসময়ে অনাবৃষ্টি, প্রচন্ড তাপদহ এবং খরার কারণে গাইবান্ধা সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় আমের গুটি ঝড়ে পড়ছে। সে কারণে চলতি মৌসুমে উপজেলার প্রতিটি বসতবাড়িতে আমের আকাল দেখা দেয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। চলতি মৌসুমে এখন পর্যন্ত উপজেলার উপর দিয়ে বৃষ্টি বাদল প্রবাহিত হয়নি। যার কারণে তোষাপাট, শাকসবজি ক্ষেতে রসপম না থাকায় অঙ্কুর এবং চারা গজাচ্ছে না এবং আম বাগানের গুটি ঝড়ে পড়ছে।

সরকারিভাবে আম গাছের হিসাব নিকাশ না থাকায় বেসরকারি জরিপ মোতাবেক উপজেলার কমপক্ষে তিন লাখ পরিবারের প্রতিটি বাড়ি আমগাছ রয়েছে। দীর্ঘ প্রায় ছয় মাস ধরে বৃষ্টি বাদল না হওয়ায় প্রতিটি আমগাছের আমের গুটি ঝড়ে পড়ছে। উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে ফিরে এবং খোঁজ খবর নিয়ে জানা গেছে, প্রতিটি আমগাছের গোড়ায় অসংখ্য আমের গুটি পড়ে রয়েছে।

দহবন্দ ইউনিয়নের দক্ষিণ ধুমাইটারী গ্রামের বাবু মিয়া জানান, তার বাসায় চারটি হাড়ি ভাঙ্গাসহ অন্যান্য আম গাছ রয়েছে। প্রতিবছর পরিবারের সদস্যরা তাদের চাহিদা মেটানোর পর বিক্রি করত। চলতি মৌসুমে অনাবৃষ্টি ও খরার কারণে আম গাছের প্রায় সবগুলো গুটি ইতিমধ্যে ঝড়ে পড়ে গেছে। প্রাকৃতিক এই দুর্যোগের কারণে চলতি মৌসুমে স্থানীয়ভাবে আমের ঘাটতি দেখা দেয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
উপজেলার ঝিনিয়া গ্রামের ৮০ বছরের বৃদ্ধ হক্কালী মিয়া জানান, তাঁর জীবন দশায় চৈত্র-বৈশাখ মাসে বৃষ্টি হয় না, এটা নজির বিহীন। দিন দিন আরও কত কিছু দেখা যাবে সৃষ্টিকর্তা তা ভাল জানেন। তবে এটা আল্লাল তালার গজব।

উপজেলা কৃষি অফিসার রাশিদুল কবির জানান, অনাবৃষ্টি এবং প্রচন্ড তাপদহের কারনে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ায় আবাদি জমিতে রস পম না থাকায় অনেক সবজি ক্ষেতে সেচ দিতে হচ্ছে। এছাড়া আমগাছ বা বাগানে বৃষ্টির অভাবে গুটি ঝড়ে পড়ছে। তবে বৃষ্টি বাদল হলে এর পরিবর্তন ঘটবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category