• রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:০১ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
ফুলবাড়ীতে রাজমিস্ত্রি রুহুল আমিন হত্যার বিচারের দাবিতে লাশ সামনে রেখে মানববন্ধন।। সৌদি আরবে অগ্নিকাণ্ডে নিহত নওগাঁর ৫ প্রবাসীর মরদেহ দাফন নওগাঁর মান্দায় ভালাইন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আবুল কালাম আজাদের ব্যাপক গণসংযোগ রাজশাহীতে ডিবির অভিযানে পালিয়েছে কুখ্যাত মাদক কারবারী মাসুম ভারতীয় সিরাপসহ প্রাইভেট কার জব্দ, গ্রেপ্তার ১২ রাজশাহীতে পথকুকুরের মুখে খাবার তুলে দিচ্ছেন কাজল রেখা রাজশাহীতে ৫২ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারী গ্রেপ্তার বাঘায় বৃদ্ধাকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ, ২২ বছরের নারীকে কিশোরী দেখিয়ে থানা থেকে ছাড়ার দাবি রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতে এগিয়ে মেয়েরা, ৩৯ কলেজে কেউ পাস করেনি নওগাঁর মান্দায় এমপির সঙ্গে প্রসাদপুর দলিল লেখক সমিতির নতুন কমিটির শুভেচ্ছা বিনিময় মান্দায় স্ট্যাম্প ও চেকে স্বাক্ষর নেওয়ার পর এবার যুবকের বিরুদ্ধে ‘ধর্ষণচেষ্টার’ নাটক সাজিয়ে জেলে পাঠানোর অভিযোগ

অ্যাম্বুলেন্স ভাড়ার টাকা না থাকায় মর্গে পড়ে ছিল হাবিবুরের লাশ

দিনকাল বিডি ২৪ / ৩৫ Time View
প্রকাশঃ রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

নওগাঁ প্রতিনিধিঃ

সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হাবিবুর রহমানের মরদেহ বাড়িতে নেওয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্সের ভাড়া জোগাড় করতে পারছিলেন না পরিবারের সদস্যরা। ফলে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পড়ে ছিল তাঁর মরদেহ। পরে বিষয়টি জানতে পেরে গ্রামের মানুষ ও বন্ধুবান্ধব এগিয়ে এসে অর্থ সহায়তা করেন। তাঁদের সহযোগিতায় অ্যাম্বুলেন্সের ভাড়া ও দাফনের প্রয়োজনীয় খরচের ব্যবস্থা করা হয়।
হাবিবুর রহমান নওগাঁর মান্দা উপজেলার ১৪ নম্বর বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের রহিমপুর গ্রামের মোহাম্মদ আলীর ছেলে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় তিনি নিহত হন।
স্থানীয়রা জানান, দুর্ঘটনার পর হাবিবুরকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়। পরে মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়।
হাবিবুরের মরদেহ বাড়িতে নিয়ে আসার জন্য অ্যাম্বুলেন্স প্রয়োজন হলেও ভাড়ার টাকা জোগাড় করতে পারছিলেন না তাঁর পরিবারের সদস্যরা। আর্থিক সংকটের কারণে মরদেহ মর্গ থেকে নেওয়া সম্ভব হচ্ছিল না। বিষয়টি জানাজানি হলে গ্রামের মানুষ ও হাবিবুরের বন্ধু-বান্ধব পরিবারের পাশে দাঁড়ান।
তাঁরা নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী অর্থ সংগ্রহ করে দেন। ওই অর্থ দিয়ে অ্যাম্বুলেন্সের ভাড়া ও দাফনের প্রয়োজনীয় খরচের ব্যবস্থা করা হয়। পরে হাবিবুরের মরদেহ গ্রামের বাড়িতে নেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।
হাবিবুরের মৃত্যুতে তাঁর পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। প্রিয়জন হারানোর শোকের পাশাপাশি আর্থিক সংকটও পরিবারটির দুর্ভোগ বাড়িয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, হাবিবুরের পরিবারের আর্থিক অবস্থা ভালো নয়। এ অবস্থায় পরিবারের পাশে দাঁড়াতে সমাজের বিত্তবান ও সামর্থ্যবান ব্যক্তিদের এগিয়ে আসা প্রয়োজন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category