এম, এ কাশেম, ব্যুরো প্রধান ‘দিনকাল বিডি’ চট্টগ্রাম : উত্তর চট্টগ্রামের মীরসরাই উপজেলার প্রাচীনতম: বিদ্যাপীঠ নিজামপুর কলেজ ছাত্রদলের সাবেক নেতা, বর্তমানে তার নিজের এলাকা বাঁশখালী উপজেলার গন্ডামারা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা মোঃ লেয়াকত আলী কে ঢাকার ফকিরাপুল থেকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।
পরে পুলিশ তার গ্রামের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র উদ্ধার করেছে বলে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ এর থেকে দাবি করে সংবাদ মাধ্যম কে জানানো হয়েছে।
বিএনপি নেতা ও ইউপি চেয়ারম্যান লেয়াকত আলী কে গ্রেপ্তারের সংবাদ যেমনি ভাবে হাই লাইটস্ করে বিভিন্ন পত্রিকায় নিউজ করা হয়েছে ঠিক তেমনি ভাবে পরদিন ফের ওই সব পত্রিকা গুলোতে পুলিশের দাবি/ভাষ্য মোতাবেক অত্যন্ত গুরত্বের সাথে তার বাড়ি থেকে অস্ত্র উদ্ধারের সংবাদ ও প্রকাশ করা হয়েছে।
কিন্তু, তাতে দায়িত্বে থাকা বিএনপি নেতাদের নিরবতা প্রশ্নের রেখাপাত: সৃষ্টি করেছে!
দলের তৃণমূল পর্যায়ের অনেক সাধারণ নেতা-কর্মীরা বলছেন, দলের অভ্যন্তরে যে নেতা আলোচিত-সমালোচিত যা-ই হোক্ তা কেবলই দলীয় গ্রাউন্ডের মধ্যে-ই সীমাবদ্ধ থাকবে। কিন্তু, মিথ্যা মামলা, হামলা বা পুলিশি গ্রেপ্তার এবং পুলিশের দাবিকৃত অস্ত্র উদ্ধার সহ নানাবিধ: কিছুর বিচার-বিশ্লষন পূর্বক এর বাদ-প্রতিবাদী ভাষা বিএনপি’র চলমান রাজনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করার কথা থাকলেও তা বিএনপি’র রাজনৈতিক প্লাটফর্মে একেবারেই অনুপস্থিত দেখা যাচ্ছে।
সাধারণ নেতা-কর্মীরা মন করেন, বিএনপি নেতাদের পক্ষে কি কোনো নিউজ পত্রিকায় দেয়ার মতো কেউ নেই নাকি যে, দলের যে কোনো নেতার ওপর হামলা হলে বা পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হলে এবং পুলিশের ভাষ্য মত অস্ত্র উদ্ধার সহ নানাবিধ: কিছু নিযে পত্রিকায় নিউজ হবে না?
চট্টগ্রামের দলীয় প্রবীণ একাধিক নেতা মনে করেন, সরকার বিরোধী রাজনৈতিক করতে গেলে মামলা হবে এবং হামলার শিকার হতে হবে। এমন কি পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার ও হতে হবে। এ ছাড়া মিথ্যা হোক্ আর সাজানো হোক্ অস্ত্র উদ্ধারের নামে ও হয়তো বা কিছু না কিছু হতে পারে তাই বলে দলের দায়িত্বে থাকা নেতারা এর এর বাদ-প্রতিবাদ না করে নিরব থাকাটা কোনো ক্রমেই যূক্তিযুক্ত নয়।