জামালপুর প্রতিনিধি :
জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলার যুবলীগ নেতা মুজিবুল হাসান ওরফে শামিম হাজারীর বিরুদ্ধে ধর্ষণ করার অভিযোগে মামলা করেছেন এক নারী। মঙ্গলবার (১৩ জুন) বিকেলে ভুক্তভোগী ওই নারী বাদী হয়ে জামালপুর সদর থানায় মামলাটি দায়ের করেন।
অভিযুক্ত শামীম হাজারী উপজেলার হাজরাবাড়ী পৌরসভাধীন কড়ই চড়া এলাকার ময়েন হাজারীর ছেলে। তিনি হাজরাবাড়ী পৌর যুবলীগের সহ-সভাপতি। মামলা দায়েরের পর থেকে আত্মগোপন করেছেন শামীম। পুলিশ সূত্র জানায়, ইতোমধ্যে ওই নারীর ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে।
ঘটনার বর্ননা করে ভুক্তভোগী নারী সাংবাদিকদের বলেন , প্রায় এক বছর আগে শামীম হাজারীর সঙ্গে আমার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। এরই সূত্র ধরে গত এপ্রিল মাসে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে জামালপুর শহরের দেওয়ানপাড়া এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় নিয়ে ধর্ষণ করলে বিয়ের জন্য চাপ দেই। এরপর থেকে শামীম আমার সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। সোমবার বেলা আড়াইটার দিকে স্ত্রীর মর্যাদা পেতে তাদের বাসায় গেলে তার স্বজনরা আমাকে থেকে টেনে হিঁচড়ে বাসা থেকে বের করে দেয়। এ সময় আমাকে মারধরও করে।
ভুক্তভোগী ওই নারী আরও বলেন, আমার এর আগে বিয়ে হয়েছিল। শামীম হাজারীর কথায় আমি ওই স্বামীকে তালাক দিয়ে চলে এসেছি। শামীম যদি এখন আমাকে স্ত্রীর মর্যাদা না দেয় তাহলে আত্মহত্যা করা ছাড়া আমার কোন পথ থাকবে না বলেও জানান তিনি।
এ ব্যাপারে জানার জন্য পলাতক শামীম’এর মুঠোফোনে একাধিকবার কল করলেও কোন সাড়া পাওয়া যায়নি।
জামালপুর সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি তদন্ত) নূর মোহাম্মদ জানান, বিয়ের আশ্বাস দিয়ে ওই নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ করা হয়েছে। ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে মুজিবুল হাসান উরফে শামীম হাজারীকে একমাত্র আসামি করে মামলা করেছেন। আসামীকে ধরতে পুলিশের অভিযান শুরু হয়েছে। #