• বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৩৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
ফুলবাড়ীতে মারপিট ও শ্লীলতাহানির অভিযোগ, আহত ২, থানায় এজাহার মোঃ আশরাফুল আলম রাজশাহীতে পুলিশের অভিযানে মাদক কারবারী গ্রেফতার -৬ রাজশাহী নগরীতে জুয়া খেলা অবস্থায় ১০ জুয়াড়ি গ্রেফতার নওগাঁর আত্রাইয়ে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত নওগাঁর আত্রাইয়ে পরিদর্শন কক্ষের শুভ উদ্বোধন করলেন এমপি রেজাউল ইসলাম রেজু ইসলামপুরে ইয়াবাসহ যুবক আটক, ৬ মাসের কারাদণ্ড রাণীনগরে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ৭০ কৃতি শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা নওগাঁর মান্দায় সিএনজির ধাক্কায় ভ্যানচালকের মৃত্যু মান্দায় ভীমরুলের চাক পোড়াতে গিয়ে বসতবাড়িতে অগ্নিকান্ড সাপাহারে কৃষিজমিতে অবৈধ ইটভাটা: লাখ টাকা জরিমানাসহ মুচলেকা আদায়

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ব্যাটারি চালিত রিক্সা চলাচল নিষিদ্ধ হলে ও চলছে দ্বিধাহীন ভাবে!

দিনকাল বিডি / ৯০ Time View
প্রকাশঃ শনিবার, ১৭ মে, ২০২৫

এম, এ কাশেম, বিশেষ প্রতিনিধি চট্টগ্রাম :: ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ব্যাটারি চালিত রিক্সা চলাচল নিষিদ্ধ হলে ও চলছে দ্বিধাহীন ভাবে! কার ইশারায় তা চালানো হচ্ছে তা বুদ্ধি-জ্ঞানহীনরা ও একবাক্যে বলে দিতে পারবেন। সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কর্তাব্যক্তিরা তাতে নিরবতা পালন করে যাওয়ায় সন্দেহের তীর তাদের দিকে।
সূত্র জানায়, দু’নম্বরী ধান্দাবাজ গুটি কতেক কর্তাব্যক্তি নামধারীদের হাতে কিছু টাকা গুঁজে দিলেই ওই সব নিষিদ্ধ ঘোষিত ব্যাটারি চালিত রিক্সার চাকা ঘুরে দ্বিধাহীন ভাবে।

আর এতে করে ওই মহাসড়কে হরহামেশাই দুর্ঘটনা ঘটেই চলেছে। পুরাতন সড়ক এবং গ্রাম্য সড়ক গুলোতে ব্যাটারি চালিত রিক্সার প্রয়োজন থাকায় ওই সব এলাকার সড়ক গুলোতে তা চলতে বাধা না থাকলে ও মহাসড়কে চলাচল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। আর ওই ঝুঁকিপূর্ণতা অনুধাবনে রেখে মহাসড়কে ওই ব্যাটারি চালিত রিক্সা চলাচলের ওপর সরকারি ভাবে নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকলে ও কতিপয় নেতা নামধারী ব্যাক্তি বিশেষের প্রটেকশনে চালানো হচ্ছে ওই সব ব্যাটারি চালিত রিক্সা। এমনিতেই মহাসড়কে ওই সব ব্যাটারি চালিত রিক্সা চলাচল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ তার ওপর চালকরা গাঁধাগাঁধি করে লোক আনা-নেয়া করে প্রতিদিন মৃত্যুমুখে পতিত করাচ্ছে নিজের এবং অন্যান্যদের জীবন।

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের অতি গুরুত্বপূর্ণ এলাকা মীরসরাই উপজেলার বারইয়ারহাট পৌরসভা বাজার। এখান থেকে দক্ষিণ মুখী চিনকী আস্তানা সহ তৎ অদুরবর্তী এলাকায় চলাচল করে যাচ্ছে ওই সব নিষিদ্ধ ঘোষিত ব্যটারি চালিত রিক্সা। সূত্র জানায়, এমনিতেই ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় চলাচল করে যাচ্ছে ব্যাটারি চালিত রিক্সা তার ওপর মহাসড়কে উল্টো পথে চালানো হচ্ছে তা।
৫ আগষ্টের আগে এই বারইয়ারহাট পৌরসভা বাজার এলাকায় দায়িত্ব পালন করে যাওয়া ট্রাফিক পুলিশরা ওই সব ব্যাটারি চালিত রিক্সা চালকদের কাছ থেকে দৈনিক হারে টাকা নিয়ে তাদের রিক্সা চালানোর সুযোগ করে দিতো।

এ ছাড়া তারা মালিকদের কাছ থেকে মাস ভিত্তিতে মোটা অঙ্কের টাকা ও নিয়ে থাকতো। শুধুমাত্র ব্যাটারি চালিত রিক্সা নয় মহাসড়কে চলাচল নিষিদ্ধ সিএনজি অটোরিক্সা চালক ও মালিকদের কাছ থেকে ও টাকা নিয়ে চলাচলের পথ প্রশ্বস্ত করে দিতো। আর এতে করে এখানে দায়িত্ব পালন করে যাওয়া ট্রাফিক পুলিশরা লাখোপতি-কোটিপতি ও বনে গিয়েছিলো। যার কারণে ৫ আগষ্টের পালিয়ে যাওয়া ওই সব ট্রাফিক পুলিশরা তাদের কর্মস্থলে ও আর যোগ দেয়নি। তথ্যানুসন্ধান চালানো হলে তাদের গ্রামের বাড়ি অথবা বর্তমানে যেখানে আবাস গড়ে অবস্থান করে যাচ্ছে সেখান থেকে থেকে সব কিছু উদ্ঘাটন করা সম্ভব।

এ দিকে ৫ আগষ্টের পর এখান থেকে এক পালিয়ে যাওয়া ট্রাফিক পুলিশরা আর কর্মস্থলে ফিরে না আসায় এখানকার ট্রাফিক পুলিশিং অবস্থা ও শূন্যাবস্থায় পড়ে রয়েছে এখনো। আর সেই সুবাদে এখানে রাজনৈতিক দলীয় কিছু নেতা-পাতি নেতারা ব্যস্ততম: সড়ক দখল করে তাতে ভ্রাম্যমাণ বিকিকিনির দোকান বসিয়ে কেউ কেউ নিজের লোক দিয়ে পরিচালনা করিয়ে যাচ্ছে। আবার কেউ কেউ তা ভাড়ায় ও খাটাচ্ছে। আর এতে করে প্রতিদিন ঘন্টার পর ঘণ্টা যানজট লেগেই রয়েছে এই বারইয়ারহাট পৌরসভা বাজার এলাকার সর্বোচ্চ।

এ ছাড়া ও কিছু রাজনৈতিক দলীয় ব্যাক্তি বিশেষ সড়কের ওপর অবৈধ ভাবে বাস, ট্রাক, সিএনজি ও রিক্সা স্টান্ড করে নিজেরা টাকা কামাই করে আঙুল পুলে কলাগাছ বনে সামিল হলে ও গাড়ি চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত:।
বিগত সময়ে ট্রাফিক পুলিশরা অবৈধ ভাবে টাকা কামানোর ধান্দাবাজ যাচ্ছেতাই করে যাওয়ার কারণে এলাকার বিভিন্ন শ্রেণী ও পেশার মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে ক্ষোভ-বিক্ষোভে ফেটে পড়লে প্রশাসনিক যন্ত্রের কাছে ছিলো একেবারেই অসহায়। যার কারণে এখানকার মানুষজন ৫ আগষ্টের দিন বিকালেই পালিয়ে যাওয়া ট্রাফিক পুলিশদের টাকা কামানোর মেসিন খ্যাত ট্রাফিক পুলিশ বক্সটিতে ব্যাপক ভাংচুর চালিয়ে ও ক্ষোভের আগুন নিভাতে না পারার এক পর্যায়ে তাতে আগুন ধরিয়ে পুড়িয়ে দেয়।

তার পরে ও ট্রাফিক পুলিশরা তাদের কাজ করে যাবে সেটা সরকারি সিস্টেমিলিটির আওতাধীন হলে ও দীর্ঘ ৯ মাসে ও এখানে স্থায়ী ভাবে এখনো কোনো ট্রাফিক পুলিশরা তাদের দায়িত্ব পালন করতে আসতেছেন না কেনো?
ট্রাফিক পুলিশদের অনুপস্থিতিতে এখানকার সড়কের নিয়ম শৃঙ্খলা একেবারেই ভেঙে পড়েছে। অতি দ্রুততার সাথে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের অত্যাধিক গুরুত্বপূর্ণ এলাকা উত্তর চট্টগ্রামের মীরসরাই উপজেলার বারইয়ারহাট পৌরসভা বাজার এলাকায় পূর্বেকার মতো ট্রাফিক পুলিশদের নিয়োজিত করে সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা অতি জরুরি হয়ে পড়েছে বলে মনে করেন অনেকেই।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category