বদলগাছী(নওগাঁ)প্রতিনিধিঃ
নওগাঁর বদলগাছীতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নাস্তা সরবরাহে অনিয়ম ও অব্যাবস্তাপনার কারণে অনীহা প্রকাশ করেছেন শিক্ষার্থীরা।
জানা যায় সরকারী ভাবে শিক্ষার্থীদের টিফিন সরবরাহের জন্য কাজের দায়িত্ব পেয়েছে এন জি ও গাক।
নওগাঁর বদলগাছী গাক অফিস কার্যালয় এ গিয়ে সরজমিনে জানা যায় ৮জন জনবল দিয়ে এই বিশাল সরবরাহের কাজ করানো হচ্ছে। পচা ডিম ও ডেম ধরা পাউরুটি মাঝে মধ্যেই পাওয়া যায়। যার কারণে শিক্ষার্থীরা সরবরাহ কৃত টিফিন খেতে অনীহা প্রকাশ করে। বদলগাছী উপজেলা সরবরাহকারী অফিসার ইসরাক জাহান বলেন প্রতিদিন উপজেলার ১৩৩টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১২৮৫০ জন শিক্ষার্থীদের মাঝে সকাল ৯টার মধ্যে নাস্তা সরবরাহ করতে হয়। প্রতিদিন প্যাকেট খুলে নাস্তা চেক করা সম্ভব হয় না। ফলে কিছু সমস্যা হতেপারে। আমাদের কাছে এই রকম কয়েক টি স্কুল থেকে অভিযোগ এসেছে সেগুলো পরিবর্তন করে দিয়েছি। সরজমিনে উপজেলার ভূবন সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দেখা যায় পচা ডিম ও ডেম ধরা পাউরুটি। শিক্ষকরা বলেন মাঝে মধ্যেই এই পচা ডিম ওপাউরুটি আসে সেগুলো দেখে বাচ্চারা ক্ষেতে চাই না। শিক্ষার্থীরা এধরনের পচা নাস্তা খেতে অনীহার কথা প্রকাশ করে বলে ভূবন স্কুলের সহকারী শিক্ষক এনামুল হক বলেন। উত্তর রাজপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোস্তাক চৌধুরী বলেন মাঝে মধ্যেই পচা ডিম নিম্নমানের পাউরুটি বাচ্চারা খেতে অনীহা প্রকাশ করে। উপজেলা ইসমাইলপুর সরকারী প্রাঃ বিঃ প্রধান শিক্ষক নাজমা বেগম বলেন আমার এখানে ডিমের ভিতর কাল হয়ে দুর্গন্ধ বিরাজ করছে ৯৫ডিম ফেলে দিয়েছি। সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা রোস্তম আলী বলেন আমি অনেক বার বলেছি কোন প্রতিকার হয়নি।
এবিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আমিনুল ইসলাম বলেন বেশ কয়েক স্কুল থেকে অভিযোগ এসেছে আমি ঠিকাদারকে বলেছি এই রকম অব্যবস্তপনা আর যেন না হয।