স্টাফ রিপোর্টার ঃ নওগাঁর মহাদেবপুরে সাংবাদিক নির্যাতনের হোতা স্কুল শিক্ষক প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ালেও অদৃশ্য শক্তির বলে গ্রেফতার হচ্ছে না। থানা পুলিশ বলছে ওই শিক্ষককে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। তিনি ছুটির আবেদন করে প্রতিদিন ধরনা দিচ্ছেন সরকারি প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে। উপজেলা শিক্ষা অফিসার বলছেন অভিযুক্ত শিক্ষককে ছুটি দেওয়া হয়নি। উপজেলার চকরাজা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে পদস্খলনের অভিযোগে এলাকাবাসী মানববন্ধন করে।
এ মানববন্ধনের তথ্য সংগ্রহ করতে গত ৫ মার্চ বাংলাদেশ সমাচার পত্রিকার ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি মোঃ সুইট হোসেন দুপুরে ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যায়। এ সময় একই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হায়দার আলীর নেতৃত্বে ১০-১২ জন বহিরাগত মানুষ সন্ত্রাসী কায়দায় সাংবাদিক সুইট হোসেনের উপর হামলা চালিয়ে বেধরক মারপিট করাসহ তার কাছে থাকা একটি ক্যামেরা এবং নগদ টাকা পয়সা ছিনতাই করে নেয়।
এ ঘটনায় ওইদিন রাতেই থানায় হায়দার আলীসহ ৮ জনকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করা হয়। এ মামলায় ওই রাতেই রবিউল ইসলাম, আব্দুস সাত্তার ও ইলিয়াস হোসেনেকে পুলিশ গ্রেফতার করে। পরদিন নওগাঁ বিজ্ঞ আদালত থেকে রবিউল ইসলাম জামিন পেলেও অন্য ২ জনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাদের জেল হাজতে পাঠান। গত বুধবার এই মামলার অন্য আসামী আজাদুল ইসলাম, রাসেল আহমেদ, ওয়াছের আলী ও শহীদুল ইসলাম আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন জানালে বিজ্ঞ বিচারক তাদের জামিন দেন। তবে এ মামলার প্রধান আসামী শিক্ষক হায়দার আলী পলাতক রয়েছেন।
সাংবাদিককে মারপিটের সময় স্থানীয়দের তোলা ছবি ও ভিডিওতে দেখা যায় শিক্ষক হায়দার আলী সাংবাদিক সুইট হোসেনকে পিছন থেকে ঘুষি মারছেন। গতকাল ৯ মার্চ উপজেলা শিক্ষা অফিসার সাফিয়া আকতার অপু জানান, সহকারী শিক্ষক হায়দার আলী তার দপ্তরে ছুটির জন্য ছুটাছুটি করছেন। তবে তার ছুটি মঞ্জুর করেননি বলে এ শিক্ষা অফিসার জানান। থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মোজাফ্ফর হোসেন জানান, মামলার প্রধান আসামীকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে