এম, এ কাশেম, বিশেষ প্রতিনিধি চট্টগ্রাম : পুত্রের ছায়া যেখানে পিতার কোলে, মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচার একমাত্র অবলম্বন যেখানে পিতা সেখানে পিতার হাতে ছেলের জীবন শেষ হওয়ার ঘটনা হ্রদয় বিদারক-ই বটে।
এমন মর্মান্তিক ও হ্রদয়ষ্পর্ষী ঘটনার জন্ম হয়েছে উত্তর চট্টগ্রামের মীরসরাই উপজেলার ১৩ নং মায়ানী ইউনিয়নে।
পিতা নুরুজ্জামান থাকতেন প্রবাসে আর ছেলে শাহেদ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়ন রত:। প্রবাস থেকে দেশের বাড়িতে এসে মা, ছেলে এবং সংসার রেখে চুপিসারে পিতা নুরুজ্জামান দ্বিতীয় বিয়ে করেন। এতে পরিবারে অশান্তির সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে ছেলে শাহেদ চট্টগ্রাম থেকে ছুটে এসে এ ঘটনার প্রতিবাদ করতে গেলে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে পিতা নুরুজ্জামান ছেলে শাহেদ এর বুক ও পেতে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে বসে।
এতে প্রচুর রক্তক্ষরণে ছেলে শাহেদ এর মৃত্যু ঘটে। ঘটনার পর পিতা নুরুজ্জামান তার বিয়ে করা দ্বিতীয় স্ত্রী কে নিয়ে পালিয়ে যায়। ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করা হয়। মামলার সূত্র ধরে র্যাব-পুলিশ মামলার আসামি পুত্র হন্তারক পিতা নুরুজ্জামান কে গ্রেপ্তারের অভিযানে নামে।
শেষোতক গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-পুলিশ যৌথ ভাবে অভিযান চালিয়ে মীরসরাইয়ের সর্বাধিক আলোচিত মায়ানীতে নিজ পুত্র শাহেদ হত্যার প্রধান আসামি পিতা নুরুজ্জামানকে দ্বিতীয় স্ত্রী সহ সিলেটের দক্ষিণ সুরমা থানা এলাকা গতকাল থেকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মীরসরাই থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আতিকুর রহমান৷