হাফিজার রহমান,বদলগাছী(নওগঁ)প্রতিনিধিঃ নওগাঁর বদলগাছীতে ছোট যমুনা নদী এখন মরা খালের পরিনত চাষ হচ্ছে ইরি ধান ও সবজি। বিভিন্ন ফসল চাষ দনি দনি বৃদ্ধি পয়েে প্রাকৃতকি পরবিশে বর্পিযয়রে র্পূবাভাস দখো দয়িছে।েবদলগাছী উপজলোর কোল ঘঁেষে প্রবাহতি ছোট যমুনা নদীতে র্বষার মৌসুমে ১/২ মাস জোয়ার থাক,ে বগিত কয়কে বছর ধরে ছোট যমুনা নদী তার আপন সত্বা হারয়িে আগাম শুকয়িে যাওয়ায় নদীর বুকে কোথাও কোথাও সাফল্যজনক ভাবে বোরো ধান সহ বভিন্নি সবজির ফসল করছে স্থানীয় ভূমহিীন কৃষকরা।
অথচ এই নদীই ছলি এক সময় এই এলাকার মানুষরে নৌকায় ছলি যোগাযোগ ব্যবস্থার অন্যতম নদী। তীব্র গরমে গ্রামরে ছোট ছলেে ময়েদেরে নদীর জলে সাঁতার কাটা দৃশ্য, এখন শুধু যনে স্মৃতি হয়ে দাঁড়য়িছে।ে বর্তমানে বদলগাছীর এই ছোট যমুনা নদীই যনে নষ্প্রিাণ, মরা খালে পরনিত হয়ে পড়ছে।ে জলবায়ুর পরর্বিতন আর প্রাকৃতকি বরিূপ প্রভাবে নদীকে নয়িে যত ছন্দ কবতিা আর গান সব কছিুতইে যনে কলম আজ থমকে দাঁড়য়িছে।ে বদলগাছীর উপর দয়িে প্রবাহতি সইে খর স্রোত ছোট যমুনা নদী শুধু র্বষাকালে কয়কেদনিরে জন্য ফুটে ওঠ।ে বাস্তব চত্রি এখন নদীর তলায় চাষাবাদ হচ্ছ।
ছোট যমুনা নদীর বর্তমান গতি পথ কূল কনিারা দখেে উপজলোর সচতেন প্রবীন মানুষদরে সাথে কথা বলে জানা যায়, তাদরে ধারনা আগামী ১০ বছর পর ভবষ্যিৎ প্রজন্মরে কাছে কবরি কাব্য কথা কংিবা শল্পিীর গানরে কথার মতই হয়ত বা মনে করবে এই খানে এক নদী ছলি।
বদলগাছীর কাদবিাড়ী ঘাটে প্রবীণ সাধু মাঝি বলনে, নদীর গতি পথ নদীর প্রাণ সইে গতি পথ যদি হয় রুদ্ধ আর ভরাট তাহলে নদীতে থাকবে না আর জল, চলবে না নৌকা গাইবে না মাঝি গান নদী যনে নষ্প্রিাণ। তজোপাড়া গ্রামরে আশাফ উদ্দীন, মজবির রহমান, ভুট্টু সহ অনকেইে বলনে আমরা নদী শুখানো পয়েে শুধু বোর মৌসুমে ধান চাষ কর।
উপজলো কৃষি অফসিার সাবাব ফারহান বলনে উপজলোতে ছোট যমুনা নদীতে প্রায় ৯৫ হক্টের নদীর চরে ধান চাষ হয়ছে।ে তাই সচতেন মহলরে অভমিত আমাদরে এই ছোট যমুনা বাঁচাতে হলে সবাইকে এগয়িে আসতে হবে সইে সাথে সরকার যদি মনে করে নদী খননরে মধ্য দয়িে আবারো ফরিয়িে আনবে নদীর সইে নাব্যতা ও ভরা যৌবন।
উপজলো চয়োরম্যান সামসুল আলম খান বলনে, নদী নতুন করে খনন করতে হবে। এবষিয়ে নওগাঁ জলো পানউিন্নয়ন র্বোডরে র্কমর্কতা মোঃ ফয়জুর রহমান বলনে ছোট যমুনা নদীর সরকারী ভাবে প্রকল্প তালিকা করে দেওয়া হয়েছে পাশ হয়ে আসলে খননরে ম্যাধমে সমাধান করা হবে।