• বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:৩৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
রাণীনগরে নানা আয়োজনে জাতীয় যুব দিবস পালিত ফুলবাড়ীতে রাজমিস্ত্রি রুহুল আমিন হত্যার বিচারের দাবিতে লাশ সামনে রেখে মানববন্ধন।। সৌদি আরবে অগ্নিকাণ্ডে নিহত নওগাঁর ৫ প্রবাসীর মরদেহ দাফন নওগাঁর মান্দায় ভালাইন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আবুল কালাম আজাদের ব্যাপক গণসংযোগ রাজশাহীতে ডিবির অভিযানে পালিয়েছে কুখ্যাত মাদক কারবারী মাসুম ভারতীয় সিরাপসহ প্রাইভেট কার জব্দ, গ্রেপ্তার ১২ রাজশাহীতে পথকুকুরের মুখে খাবার তুলে দিচ্ছেন কাজল রেখা রাজশাহীতে ৫২ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারী গ্রেপ্তার বাঘায় বৃদ্ধাকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ, ২২ বছরের নারীকে কিশোরী দেখিয়ে থানা থেকে ছাড়ার দাবি রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতে এগিয়ে মেয়েরা, ৩৯ কলেজে কেউ পাস করেনি নওগাঁর মান্দায় এমপির সঙ্গে প্রসাদপুর দলিল লেখক সমিতির নতুন কমিটির শুভেচ্ছা বিনিময়

অন্যের ইনডেক্স ব্যবহার করে ১৭ বছর ধরে বেতন তুলছেন শিক্ষক

দিনকাল বিডি / ১৪৪ Time View
প্রকাশঃ সোমবার, ১০ জুলাই, ২০২৩

মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী: রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার রাজবাড়ী ডিগ্রি কলেজে চাকরি করতেন শরিফুল ইসলাম। ২০০৪ সালে বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারে নির্বাচিত হয়ে তিনি কলেজের চাকরি থেকে অব্যাহতি নেন। এসময় তার ইনডেক্স নম্বর ছিল ৮৩২২৩৬।
শরিফুল ইসলাম চাকরি ছেড়ে চলে গেলে তার জায়গায় ২০০৪ সালের ডিসেম্বরে নিয়োগ হয় আবুল হোসেন রাব্বির। ২০০৫ সালে তিনি এমপিওভুক্ত হন। তবে তারও ইনডেক্স নম্বর হয় ৮৩২২৩৬। একই ইনডেক্স নম্বর দিয়ে ১৭ বছর ধরে বেতন তুলছেন এ শিক্ষক। অভিযোগ রয়েছে, প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে যোগসাজশেই তিনি এ কাজ করে যাচ্ছেন।
নিয়মানুযায়ী কলেজে বা স্কুলে কোনো শিক্ষক নতুন যোগদান করলে তার আলাদা ইনডেক্স নম্বর থাকবে। এ ইনডেক্সই হলো ওই শিক্ষকের পরিচয়। তবে কোনোভাবেই একজন শিক্ষকের ইনডেক্স আরেকজন ব্যবহার করতে পারবেন না। অথচ ২০০৫ সাল থেকে শিক্ষক রাব্বি অন্যের ইনডেক্স ব্যবহার করে ১৭ বছর ধরে বেতন-ভাতা তুলে আসছেন।
এ বিষয়ে শিক্ষক শরিফুল ইসলাম (বর্তমানে রাজশাহী সরকারি সিটি কলেজে কর্মরত) বলেন, ‘বর্তমানে আমাদের কোনো ইনডেক্স নেই। বিসিএস ক্যাডারদের কোনো ইনডেক্স হয় না। আমি ওই প্রতিষ্ঠান থেকে ২০০৪ সালেই চাকরি ছেড়ে চলে এসেছি। এখন আমার নামে বেতন এলে আমারতো সই লাগবে। আমার নামে বেতন আসছে না। তবে আমার ইনডেক্স ব্যবহার হচ্ছে কি না সেটা তারাই ভালো বলতে পারবেন।’
তবে এ বিষয়ে জানতে রাজবাড়ী ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ সেলিম রেজার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। জানা গেছে, তার বিরুদ্ধে আদালতের গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে। এ কারণে তিনি আত্মগোপনে আছেন।
মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের রাজশাহী অঞ্চলের পরিচালক অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান শাহ বলেন, প্রাথমিকভাবে আমাদের ধারণা, এটি জালিয়াতি হতে পারে। তবে আমার কাছে লিখিত অভিযোগ এলে বিষয়টি দেখবো। কিন্তু আমার এখানে এমপিও নিয়ে বা ইনডেক্স নিয়ে কোনো কাজ হয় না। এটি ঢাকা থেকে হয়। তারাই বলতে পারবেন। তারা যদি আমাদের কোনো নির্দেশনা দেন সেটি আমার করতে পারবো।
এ বিষয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের উপপরিচালক তপন কুমার দাস বলেন, একজন শিক্ষকের ইনডেক্স অন্যজন ব্যবহার করতে পারবেন না। বিষয়টি আমরা তদন্ত করে দেখবো।
জানতে চাইলে রাজবাড়ী ডিগ্রি কলেজের ইংরেজির শিক্ষক আবুল হোসেন রাব্বি বলেন, ‘আমি ২০০৪ সালে নিয়োগ পেয়েছি। ২০০৫ সাল থেকে এমপিও হয়েছে। তবে আমার ইনডেক্স আগে অন্য কারও ছিল কি না সেটি আমার জানা নেই। আপনার কাছেই প্রথম শুনলাম।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category