এম আর সাইফুল, মাদারগঞ্জ উপজেলা প্রতিনিধিঃ
জামালপুরের মাদারগঞ্জে ১নং চরপাকেরদহ ইউনিয়নের দায়িত্বরত কাজী নুরুল হুদা ইবনে আবেদের বিরুদ্ধে কাবিন নামার নকল দিতে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
কাজী নূরুল হুদা ইবনে আবেদ অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে বলেন যে, আমি শুধু একজনের থেকেই অতিরিক্ত টাকা নিয়েছি তাছাড়া ফ্রীতেও কাবিন নামার নকল দেয় বলে তিনি জানিয়েছেন তাছাড়া মাত্র দুই তিনজনকে কাবিনের নকল প্রদান করেছেন বলে তিনি জানিয়েছেন।
অভিযোগ আছে যে, কাবিনের নকল নিতে হয়রানি হতে হয় কাজী নূরুল হুদা ইবনে আবেদ ও তার ছেলে নাইমুল হুদার কাছে। ভুক্তভোগী জানান ছেলের কাছে গেলে বাবার কাছে পাঠায় ও বাবার কাছে গেলে ছেলের কাছে পাঠান। এভাবে প্রায় এক সপ্তাহ ঘুরানোর পরে কাজি নুরুল হুদা ইবনে আবেদ ২০০০/- (দুই হাজার) টাকা ফি দাবী করেন পরে ভুক্তভোগী বলেন যে, টাকা প্রাপ্তির রশীদ দিলে আপনার দাবীকৃত টাকায় দেওয়া হবে। সে সময় কাজী নুরুল হুদা ইবনে আবেদ উচ্চসরে বলেন যে, এক টাকাও লাগবেনা এমনিতেই নিয়ে যান। উল্লেখ্য যে,কাবিনের নকল প্রদানের ফি ৫০/- বহি তল্লাশি ১০/- তবে সর্বচ্চ ২০০/- পর্যন্ত নিতে পারেন। কাজী নূরুল হুদা ইবনে আবেদ দির্ঘদিন চাকরির সুবাদে মাদারগঞ্জের বাহিরে থাকায় তার ছেলে নাইমুল হুদা বিবাহ রেজিস্ট্রি, তালাকনামা ও কাবিনের নকল প্রদান করতেন। কাজী নুরুল হুদা ইবনে আবেদ তাহার ছেলে নাইমুল হুদাসহ একাধিক ব্যাক্তির বিরুদ্ধে তাহার স্বাক্ষর নকল করে কাবিনের নকল প্রদান ও বিবাহ রেজিস্ট্রির অভিযোগ করে বলেন যে, আমার ছেলে কাবীনের নকলে ৫০টার মধ্যে একটা দুইটাতে আমার স্বাক্ষর নেয় এখন থেকে আমি এলাকায় থাকবো আমি নিজেই কাজ করবো।
নাইমুল হুদা বলেন যে, আমি বিগত ৩মাস ধরে কাজীর কাজ করিনা। বাবা এলাকাতে আসছেন তিনি সকল কাজ করেন। তাহার বিরুদ্ধে স্বাক্ষর নকল করার বিষয়টি অস্বীকার করেন।
১নং চরপাকেরদহ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বদরুল আলম সরদার জানান আমি কাজী সাহেবকে বলে দিছি কাবিনের নকল দিতে যেন সর্বচ্চ ৫০০/- নেওয়া হয়।