খন্দকার মেহেদী হাসান আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধি : বগুড়ার আদমদীঘিতে বাতিল করা গভীর নলকুপে অগভীর নলকুপ ব্যবহার করে ইরিস্কীমে পানি সেচ দিলেও একই স্কীমে সোলায়মান আলীর জমিতে তার অগভীর নলকুপের পাইপে পানি কম উঠায় পুনরায় বসাতে গেলে বাধা দেয়াকে কেন্দ্র করে বিরোধের সৃষ্টি হওয়ায় গ্রামে দুপক্ষের মধ্যে টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছে। যে কোন মুহুর্তে সংঘর্ষের আশংকা রয়েছে। জানাযায়, আদমদীঘির বিনাহালী মৌজায় সোলায়মান আলীর নামে ১৯৯৭ সালে পল্লী বিদ্যুতের অনুমোদনে অগভীর নণকুপ স্থাপন করে ইরিস্কীমে পানি সেচ দিয়ে আসছিল। এরই মধ্যে ২০১৪ সালে জনৈক সাদেকুল ইসলাম বাবু নামের এক ব্যক্তি উপজেলা সেচ কমিটি মাধ্যমে গভীর নলকুপ বসানোর জন্য অনুমোদন নেন। সেই সময় সোলায়মান আলীর বসানো অগভীর নলকুপ স্কীমের মধ্যে সাদেকুর ইসলাম বাবু গভীর নলকুপ বসাতে গেলে সংঘর্ষ হয়। এরপর ২০১৪ সালেই সাদেকুল ইসলামের নামে গভীর নলকুপের স্কীম উপজেলা সেচ কমিটি বাতিল করেন। এরপর থেকে সাদেকুল ইসলাম বাবু অগভীর নলকুপের মাধ্যমে ইরিস্ক্রীমে সেচ দিয়ে আসছে। এদিকে সোলায়মান আলীর তার আগের বসানো অগভীর নলকুপে পানি কম উঠায় পুনরায় পাইপ বসাতে গেলে সাদেকুল ইসলাম বাবু ও তার লোকজন বাধা সৃষ্টি করে আসছে। এনিয়ে সোলায়মান আলী ও সাদেকুল ইসলাম বাবুর লোকজনের মধ্যে টানটান উত্তেজনা বিরাজ করায় যে কোন মুহুর্তে আবারো সংঘর্ষের আশংকা দেখা দিয়েছে। সোলায়মান আলী জানায়, তার আগের অগভীর নলকুপ স্কীম রয়েছে। সেই অগভীর নলকুপের পাইপে পানি কম উঠায় পুনরায় সেখানে পাইপ বসাতে গেলে সাদেকুল ইসলাম বাবু ও তার লোকজন বাধা সৃষ্ঠি করছে। সাদেকুল ইসলাম বাবু জানায়, তার অগভীর নলকুপ দিয়ে ইরিস্কীমে পানি সেচ দেয়া হচ্ছে। কারো কোন বাঁধা নেই। বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি দেয়া দরকার।#