• শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:৫৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
কৃষিপণ্য আমদানিনির্ভরতা থেকে বেরিয়ে আসাই সরকারের লক্ষ্য: কৃষিমন্ত্রী রাজশাহীতে ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারের সেবার মান বাড়াতে কমিশনারের নির্দেশনা অনিয়ম, দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হওয়ায় নওগাঁর মান্দায় কালিকাপুর ইউপি চেয়ারম্যান সাময়িক বরখাস্ত নওগাঁ জেলা জামায়াতের নেতৃত্বে পরিবর্তন, নতুন আমির মাহফুজুর রহমান নর্থ বেঙ্গল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির প্রক্টরিয়াল টিমের সদস্য হলেন প্রভাষক আবু সাঈদ কুষ্টিয়ায় মৃত চেয়ারম্যানের নামে ১০৭ বস্তা চাল বরাদ্দ ফুলবাড়ী উপজেলার মাদিলাহাট ব্যবসায়ী সমিতির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। রাণীনগরে আগাম জাতের ধান কাটা শুরু কৃষকের ঘরে আসছে নতুন সোনালী ফসল রাণীনগরে নানা আয়োজনে জাতীয় যুব দিবস পালিত ফুলবাড়ীতে রাজমিস্ত্রি রুহুল আমিন হত্যার বিচারের দাবিতে লাশ সামনে রেখে মানববন্ধন।।

পোরশায় প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ এর অভিযোগে কথিত সাকো এনজিওর দুই কর্মকর্তা আটক

দিনকাল বিডি / ১৪৬ Time View
প্রকাশঃ বুধবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩

পোরশা(নওগা)প্রতিনিধি: প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আতœসাতের অভিযোগে কথিত এনজিও সাকো’র দুই কর্মকর্তাকে আটক করেছে র‌্যাব-৫ জয়পুরহাটের সদসরা। বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে র‌্যাব-৫, সিপিসি-৩, জয়পুরহাট র‌্যাব ক্যাম্পের এর কোম্পানী অধিনায়ক মেজর মো. মোস্তফা জামান এ তথ্য জানান। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নওগাঁর পোরশা সরাইগাছি বাজার এলাকা হতে ঋণ ও মুনাফা দেওয়ার কথা বলে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আতœসাত করে কথিত সাকো এনজিওর কর্মকর্তারা পালিয়ে যাচ্ছে। এমন অভিযোগের ভিত্তিতে মঙ্গলবার বিকালে র‌্যাব-৫, সিপিসি-৩, জয়পুরহাট র‌্যাব ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল কোম্পানী অধিনায়ক মেজর মোস্তফা জামান এবং স্কোয়াড কমান্ডার সিনিয়র এএসপি মাসুদ রানা এর নেতৃত্বে নওগাঁর পোরশা উপজেলার সরাইগাছি বাজার এলাকা হতে তাদের আটক করেন। এরা হলেন কথিত এনজিও সদস্য উপজেলার কালাইবাড়ি গ্রামের আফজাল হোসেনের ছেলে মাসুদ রানা(২৯) ও সরাইগাছি গ্রামের মৃত নুরুল ইসলামের ছেলে তোফাজ্জল হোসেন(৫৭)। র‌্যাবের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, প্রতারক মাসুদ রানা, জহুরুল ইসলাম ও তোফাজ্জল হোসেন সরাইগাছি বাজারে একটি অফিস ভাড়া নিয়ে সাকো (ঝঅঈঙ= ঝড়পরধষ অফাধহপবসবহঃ ঈড়সসরঃঃবব ঙৎমধহরংধঃরড়হ) নামে একটি এনজিও খোলেন। এরপর তারা নওগাঁ জেলার বিভিন্ন উপজেলার সাধারণ মানুষের কাছ থেকে মাসিক মুনাফার প্রলোভন দেখিয়ে জুডিশিয়াল ও নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পের মাধ্যমে এফ ডি আর খুলে লাখ লাখ টাকা আদায় করেন। শুরুতে কিছু ব্যক্তিকে প্রথম দুই এক মাস মুনাফা প্রদান করেন এবং পরবর্তীতে মুনাফা প্রদান করা বন্ধ করে দেন। ফলে গ্রাহকরা তাদের জমাকৃত টাকা ফেরত চাইলে তারা টাকা দিতে টালবাহানা শুরু করেন। এরকম ভুক্তভোগীদের মধ্যে শাহাবুদ্দিন, আমিনুল ও আমানুল্লাহ সাকো এনজিওকে সাড়ে দশ লাখ টাকা এই মর্মে প্রদান করে যে, প্রতি মাসে তাদের এক লাখে ১০ হাজার টাকা দেওয়া হবে। এরপর কথিত সাকো এনজিও এর এমডি মাসুদ রানা ও নির্বাহী পরিচালক জহুরুল ইসলামের কাছে মুনাফা চাইতে গেলে তারা টাকা প্রদানে টালবাহানা শুরু করেন। পরে আসল টাকা ফেরত চাইলে আজ দেব কাল দেব বলে কালক্ষেপণ করেন এবং আর টাকা ফেরত দেয়নি। এ ব্যাপারে নওগাঁ জেলার সাপাহার ও পোরশার প্রায় আট দশ জন ভুক্তভোগী র‍্যাব ক্যাম্প জয়পুরহাটে এসে তাদের সাথে সাকো এনজিও প্রতারণা করছে বলে অভিযোগ করেন। অভিযোগ পেয়ে র‍্যাব ছায়া তদন্ত শুরু করেন। ১৩-ফেব্রæয়ারি র‍্যাব-৫ নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের মাধ্যমে জানতে পারে সাকো এনজিওর এমডি মাসুদ রানা ও নির্বাহী পরিচালক জহুরুল ইসলাম সবকিছু বিক্রি করে পালিয়ে যাবে। এরপর র‍্যাব-৫ এর একটি আভিযানিক দল ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন। পরে সরাইগাছি বাজারে গিয়ে হাতে নাতে জুডিশিয়াল ও নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পসহ সাকো এনজিওর এমডি মাসুদ রানা, ও তোফাজ্জল হোসেনকে আটক করা হয়। তবে নির্বাহী পরিচালক জহুরুল ইসলাম র‍্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায়। আটক দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে নওগাঁ পেরশা থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। এবিষয়ে পোরশা থানার অফিসার ইনচার্জ জহুরুল ইসলাম জানান, সাকো এনজিও’র আটক দুই আসামীকে বুধবার আদালতে তোলা হয়। আদালত তাদেও জেল হাজতে পাঠিয়ে দিয়েছে। #


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category