নিজস্ব প্রতিবেদক ‘দিনকাল বিডি’ চট্টগ্রাম অফিস :: উত্তর চট্টগ্রামের মীরসরাই উপজেলার বারইয়ারহাট পৌরসভা বাজারে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের বৈষম্যের শাসনামলে যত্রতত্র রাস্তা দখল করে উন্মুক্ত দোকান বসিয়ে দোকানীদের কাছ থেকে দৈনিক হারে চাঁদা নিয়ে যে রকম অবৈধ কর্মকাণ্ড চালানো হয়েছিলো তার থেকে ও এখন আরো দিগুন বাড়িয়ে রাস্তায় গাড়ি চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি সহ পথচারীদের পথ চলা ও এক ধরনের প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করছে!
অভিযোগ রয়েছে, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে বারইয়ারহাট পৌরসভা কর্তৃপক্ষ এবং সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড এর কাউন্সিলর এবং ডাক গ্রহনকারীর যৌথ যোগসূত্রের ভিত্তিতে ফুটপাত দখলে নিয়ে কারো কারো থেকে এককালীন টাকা নিয়ে ঝুপড়ি ঘর উঠিয়ে মাস ভিত্তিক ভাড়া উত্তোলন করে আসছিলো। আবার সরকারি জায়গা দখল করে এমন কি রাস্তা দু’পাশের গুরুত্বপূর্ণ জায়গা দখলে নিয়ে সেখানে কাউকে কাউকে দোকান বসিয়ে ব্যবসা করার সুযোগ দেয়া হয়েছিলো। তবে, এ সব কিছুতে স্থানীয় আওয়ামী লীগের দু’এক নেতার আশ্রিত যুব ও ছাত্রলীগের সন্ত্রাসী-ক্যাডাররা ওই সব দোকানীদের কাছ থেকে দৈনিক হারে চাঁদা নিয়ে তাদের কে রমরমা ব্যবসা করে যাওয়ার সব ধরনের ব্যবস্থা করে দিয়েছিলো। কিন্তু গত ৫ আগস্ট আকস্মিক ভাবে দেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতে পালিয়ে যাওয়ার পর আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হওয়ার সাথে সাথে-ই প্রায় সব আওয়ামী লীগের নেতা এলাকা থেকে পালিয়ে যাওয়ার পর ওই সব আওয়ামী যুব ও ছাত্রলীগের সন্ত্রাসী-ক্যাডাররা ও আত্মগোপনে চলে যায়। তবে, তারা আত্মগোপনে চলে গেলে ও তাদের প্রতাত্মারা এখনো বহাল তবিয়তে থেকে ওই সব হীন কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে বলে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে।
সূত্র জানায়, বিএনপি এবং জামায়াতের যে সব নেতা-কর্মী নামধারীরা অতিত আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে আওয়ামী লীগ নেতাদের সাথে সু’সম্পর্ক বজায় রেখে ব্যবসা-বানিজ্য চালানো সহ নানাবিধ: কাজ করে এলাকায় থাকার পথ প্রশ্বস্ত করে থেকে ছিলো তাদের সাথে এখন ওই সব আওয়ামী লীগ নেতা ও তাদের সন্ত্রাসী-ক্যাডাররা গোপনে যোগসাজশে অতিতের মতো ওই সব কর্মকাণ্ড গুলো চালিয়ে যাচ্ছে।
অন্যদিকে ওই সব কর্মের ফাঁকে এলাকার নব্য বিএনপি ও এর অঙ্গ এবং সহযোগী সংগঠনের গুটি কতেক নেতা-কর্মী নামধারী ব্যাক্তিরা তার চাইতে ও অনেক গুন বেশি করে যাচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। ওদের সাথে হাতে গোনা কয়েকজন জামায়াত-শিবিরের নেতা-কর্মী ও জড়িত রয়েছে বলে জানা গেছে।
বারইয়ারহাট পৌরসভা বাজারে আগে যারা সরকারি জায়গা দখল করে তাতে বিভিন্ন জনকে ব্যবসা করে যাওয়ার সুযোগ দিয়ে তাদের কাছ থেকে দৈনিক ভিত্তিতে চাঁদা নেয়ার কারণে এলাকার প্রায় সব মানুষ নিন্দা ও ধিক্কার জানিয়ে ছিলো। কিন্তু, কেউ কল্পনা ও করতে পারেনি যে, বিগত আওয়ামী লীগের ক্ষমতা কালীন সময়ে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা মানুষ কে জিম্মি করে যাচ্ছেতাই কর্ম সাধন করে নিজেরা নিজেদের পকেট ভারী করে মানুষ কে ভোগান্তিতে ফেলে দিয়েছিলো তার থেকে ও দ্বিগুণ-তিনগুন সৃষ্টি করে মানুষের আশার ওপর শেষ পেরেক টি ঠেকিয়ে দেয়া হবে?
বারইয়ারহাট ট্রাফিক মোড়ে সামান্যক্ষন দাড়ানো মাত্র- ই সব কিছু নিজের চোখেই আঁটকে যাবে। এবং খবর নিলেই বেরিয়ে আসবে এখান থেকে কে বা কারা চাঁদা নিয়ে রাস্তার জায়গা দখলে নিয়ে ব্যাক্তি-বিশেষকে ব্যবসা করে যাওয়ার পথ সুগম করে দিয়ে চলাচলরত: গাড়ি গুলোর চাকা কারা থামিয়ে দিয়ে যানজট সৃষ্টি করে মানুষ কে ভোগান্তির দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
এ ছাড়া- কারা দৈনিক হারে চাঁদা নিয়ে পথচারীদের পথ চলাচলের জায়গা দখলে নিয়ে সেখানে দোকান বসিয়ে চলাচলের পথ আটকিয়ে দিয়েছে?