আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধি : বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলায় সর্বত্র ঘন্টায় ঘন্টায় বিদ্যুতের লোডসেডিংয়ে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। সান্তাহার নেসকো বিদ্যুত বিক্রয় ও বিতরন কেন্দ্রে নিয়ম নীতির বালাই নেই। কোন পূর্ব নোটিশ ছাড়াই দিবারাত্রি ১২ থেকে ১৩ বার বিদ্যুত আসা যাওয়া করে থাকে। ফলে শিক্ষার্থিদের পড়াশোনা বিঘিœত, জনজীবনে অস্বস্তি, কলকারখানায় উৎপাদন ব্যহত ও হাসপাতালে রোগিদের জন্য ফ্রিজে রাখা জীবন রক্ষাকারি ঔষধ বিনষ্ট হচ্ছে।
সান্তাহার বিদ্যুত বিক্রয় ও বিতরন কেন্দ্র নেসকো সুত্রে জানাযায়, সান্তাহার বিদ্যুত অফিসের আওতায় বিভিন্ন অ লের জন্য মোট বিদ্যুতের চাহিদা ১৯ মেগাওয়াট। বর্তমানে পাওয়া যাচ্ছে ১২ মেগাওয়াট। এই ৭ মেগাওয়াট বিদ্যুতের ঘাটতি রয়েছে এই এলাকায়। সান্তাহার বিদ্যুত বিভাগের দেয়া নোটিশমতে প্রতিদিন বিভিন্ন এলাকায় পর্যায়ক্রমে দিনরাত এক ঘন্টা করে ৩বার মোট ৩ ঘন্টা বিদ্যুতের লোডসেডিং হবে। কিন্তু সেই নোটিশ উপেক্ষা করে ইচ্ছামত লোডসেডিং দেয়া হচ্ছে।
বিদ্যুত গ্রাহক সালগ্রামের আলতাফ আলী খাঁ, তেতুলিয়া গ্রামের জিল্লুর রহমান ও আদমদীঘির বেনজির রহমার জানান, গত ২/৩ দিন যাবত অত্র এলাকায় দিবারাত্রি ১২ থেকে ১৩ বার বিদ্যুত আসা যাওয়া করছে। কখনো কখনো ১ ঘন্টার মধ্যে ২ বার বিদ্যুত যাচ্ছে। একবার বিদ্যুত চলে গেলে ১ থেকে দেড় ঘন্টা বিদ্যুত সরবরাহ বন্ধ থাকে। বিদ্যুত আসা যাওয়ার কোন নিয়ম নীতির বালাই নেই। ফলে হাসপাতালে রোগিদের জন্য ফ্রিজে রাখা জীবন রক্ষাকারি ঔষধ বিনষ্ট, শিক্ষার্থিদের পড়াশোনা বিঘিœত, জনজীবনে অস্বস্তি ও কলকারখানায় উৎপাদন ব্যহত হচ্ছে। রাতে বিদ্যুত না থাকায় ছিচকে চোরের উপদ্রব বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিদ্যুত গ্রাহকরা ঘন্টায় ঘন্টায় বিদ্যুত আাসা যাওয়া বন্ধ করে নিয়ম নীতি মেনে আগাম নোটিশ দিয়ে লোডসেডিং প্রদানের দাবী জানান। সান্তাহার বিদ্যুত বিক্রয় ও বিতরন কেন্দ্র নেসকোর নির্বাহি প্রকৌশলী ওমর ফারুক জানান, বিদ্যুত ঘটতির কারনে প্রতিদিন তিনবার লোডসেডিং চলে। কোন কোন এলাকায় বিদ্যুতের তারে গাছের ডাল পড়ায় বিদ্যুত সরবরাহ বন্ধ করে কাজ করতে হয়। গত বুধবার রাতে ঝড় বৃষ্টির কারনে কোন কোন স্থানে বেশি বিদ্যুত আসা যাওয়া হয়তো করেছে।
#