• শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৪২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
কৃষিপণ্য আমদানিনির্ভরতা থেকে বেরিয়ে আসাই সরকারের লক্ষ্য: কৃষিমন্ত্রী রাজশাহীতে ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারের সেবার মান বাড়াতে কমিশনারের নির্দেশনা অনিয়ম, দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হওয়ায় নওগাঁর মান্দায় কালিকাপুর ইউপি চেয়ারম্যান সাময়িক বরখাস্ত নওগাঁ জেলা জামায়াতের নেতৃত্বে পরিবর্তন, নতুন আমির মাহফুজুর রহমান নর্থ বেঙ্গল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির প্রক্টরিয়াল টিমের সদস্য হলেন প্রভাষক আবু সাঈদ কুষ্টিয়ায় মৃত চেয়ারম্যানের নামে ১০৭ বস্তা চাল বরাদ্দ ফুলবাড়ী উপজেলার মাদিলাহাট ব্যবসায়ী সমিতির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। রাণীনগরে আগাম জাতের ধান কাটা শুরু কৃষকের ঘরে আসছে নতুন সোনালী ফসল রাণীনগরে নানা আয়োজনে জাতীয় যুব দিবস পালিত ফুলবাড়ীতে রাজমিস্ত্রি রুহুল আমিন হত্যার বিচারের দাবিতে লাশ সামনে রেখে মানববন্ধন।।

নিয়ামতপুরে সরিষার চাষে ভাগ্য পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখছে কৃষক

দিনকাল বিডি / ১৯৩ Time View
প্রকাশঃ মঙ্গলবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০২২

শাহজাহান শাজু, নিয়ামতপুর(নওগাঁ) প্রতিনিধি
আমন ধান কাটার পর শীতের শুরুতে দিগন্ত জুড়ে দেখা যায় হলুদ সরিষা ফুল। দেখে মনে হয় যেন প্রকৃতি সেজেছে হলুদের সাজে।
ঋতু বৈচিত্র্যের এ বাংলায় বছরের বিভিন্ন সময় বর্ণিল রং আর অনাবিল সৌন্দর্য নিয়ে সেজে ওঠে ফসলের মাঠ।

সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার সদর ইউনিয়নের তিলিহারি, শ্রীমন্তপুর ইউনিয়নের হরিপুর, বাহাদুরপুর ইউনিয়নের গুজিশহর, বরিয়া, ছাতমা এলাকায় সরিষার হলুদ ফুলে ছেয়ে গেছে মাঠ। দেখে মনে হয়ে যেন হলুদ চাদরের বিছানা। এ সময় ছোট থেকে শুরু করে বিভিন্ন বয়সের ছেলে মেয়েদের দেখা যায় সরিষা মাঠের ছবি তুলতে।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে সরিষার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ হাজার ৫০ হেক্টর মেট্টিক টন। মৌসুমে সব মিলিয়ে ৫ হাজার ৫শ ৫০ হেক্টর জমিতে সরিষার চাষ হয়েছে বলে জানিয়েছে কৃষি সম্প্রসারণ অফিস।

এ বিষয়ে শ্রীমন্তপুর ইউনিয়নের দারাজপুর গ্রামের কৃষক একরামুল বলেন, ‘আমাদের হরিপুর বিলে পানি থাকার কারণে ধান একবার করে হয়। পানি নামার সঙ্গে সঙ্গে আমরা সরিষার আবাদ করে থাকি। এ বছর ১০ বিঘা জমিতে সরিষার আবাদ করা হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ফলন ভালো হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।’

একই গ্রামের কৃষক তছলিম বলেন, ‘এ বছরে ৮ বিঘা জমিতে সরিষার চাষ করেছি। সরিষার গাছ ভালো হয়েছে এবং ফুলও এসেছে ভালো। প্রতি বছর বিঘা প্রতি ৪-৫ মণ করে পেলেও এ বছর ৬ মণের অধিক সরিষা হবে।’

গুজিশহর এলাকার কৃষক রমজান বলেন, ‘বোরো ধান লাগানোর আগে খেতে সরিষা লাগানো হয়। সরিষার দাম ভালো থাকায় এ বছর ১০ বিঘা সরিষা আবাদ করেছি। ফলনও ভালো হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।’

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ কামরুল হাসান বলেন, ‘এ মৌসুমে আবহাওয়া অনুকূলে রয়েছে। পরিবেশ ভালো থাকায় কৃষকও বেশ উৎসাহী। দাম ভালো থাকায় কৃষকেরা সরিষা চাষে আগ্রহী হচ্ছে। লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়ে অতিরিক্ত উৎপাদন হবে বলে জানান তিনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category