• শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:২২ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
কৃষিপণ্য আমদানিনির্ভরতা থেকে বেরিয়ে আসাই সরকারের লক্ষ্য: কৃষিমন্ত্রী রাজশাহীতে ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারের সেবার মান বাড়াতে কমিশনারের নির্দেশনা অনিয়ম, দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হওয়ায় নওগাঁর মান্দায় কালিকাপুর ইউপি চেয়ারম্যান সাময়িক বরখাস্ত নওগাঁ জেলা জামায়াতের নেতৃত্বে পরিবর্তন, নতুন আমির মাহফুজুর রহমান নর্থ বেঙ্গল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির প্রক্টরিয়াল টিমের সদস্য হলেন প্রভাষক আবু সাঈদ কুষ্টিয়ায় মৃত চেয়ারম্যানের নামে ১০৭ বস্তা চাল বরাদ্দ ফুলবাড়ী উপজেলার মাদিলাহাট ব্যবসায়ী সমিতির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। রাণীনগরে আগাম জাতের ধান কাটা শুরু কৃষকের ঘরে আসছে নতুন সোনালী ফসল রাণীনগরে নানা আয়োজনে জাতীয় যুব দিবস পালিত ফুলবাড়ীতে রাজমিস্ত্রি রুহুল আমিন হত্যার বিচারের দাবিতে লাশ সামনে রেখে মানববন্ধন।।

পটল চাষে সাফল্য পোরশার আফাজ উদ্দিনের

দিনকাল বিডি ২৪ / ৮৩ Time View
প্রকাশঃ রবিবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৪

পোরশা(নওগাঁ)প্রতিনিধি: পটল চাষে সাফল্য অর্জন করেছেন নওগাঁর পোরশা উপজেলার নিতপুর খোর্দ্দগানইর গ্রামের মৃত ইদ্রিস আলী মন্ডলের ছেলে আফাজ উদ্দিন। ইতোমধ্যে তিনি বিভিন্ন প্রকার সব্জি সহ নানা ফসল চাষাবাদ করে একজন সফল চাষি হিসাবে এলাকায় পরিচিতি লাভ করেছেন। সরজমিনে গিয়ে আফাজ উদ্দিনের সাথে কথা বললে তিনি জানান, সারা বছরই তিনি কোন না কোন ফসলের চাষ করেন। এর মধ্যে পটল তার প্রধান আয়োর উৎস। তিনি ভূমিহীন হওয়ায় স্থানীয় এক ব্যক্তির ৪৫ শতাংশ লীজ নিয়ে এসব ফসল ফলান।

তিনি এবারও ওই জমিতে পটল চাষ করেছেন। তিনি এখন থেকে ৭ মাস আগে পঠলের চারা রোপন করেন এবং কার্তিক মাস পর্যন্ত সেখান থেকে ৩-৪ লক্ষ টাকার পটল বিক্রি করেন। ওই পটল চাষে তিনি খরচ করেছেন ৩০-৪০হাজার টাকা। এতে তার খরচ বাদে লাভ ভাল হয় বলে জানান। এছাড়াও তিনি স্থানীয় প্রতিবেশীদের তার লাগানো সবজি দেন। তিনি আরো জানান, পটলের সময় শেষ হলে ওই জমিতে তিনি পিয়াজ চাষ সহ পিয়াজের পুল চাষ করেন। এতে তার ওই জমি থেকে ৫-৬লক্ষ টাকায় আয় হয়। তিনি নিজে কোঠর পরিশ্রম কাজ গুলি করে বলে সারা বছর তার সংসার ভাল ভাবেই চলে।

ফলে তাকে কোথায় কারো কাছে হাত পাততে হয়না বলে আফাজ জানান। তার সবজি চাষে সাফল্যের পিছনে উপজেলা কৃষি অফিসের কোন সহযোগীতা আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি জানান, বিভিন্ন সময় তার ফসলগুলিতে ছত্রাকের আক্রমন ও পঁচনের কারনে ফসল নষ্ট হয়। কিন্তু নিজেই কীটনাষক ব্যবস্থা করে প্রয়োগ করে ফষল বাঁচাতে হয়। অনেক সময় মোবাইল ফোনে ডেকে উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তাকে পাওয়া যায়না বলে অবিযোগ করেন। আবার কখন তারা আসেন বলেও তিনি জানান। তবে সবজি চাষে কৃষি বিভাগের লোকজন তাকে সহযোগীতা করলে তিনি আরো ভাল ভাবে চাষাবাদ করতে পারবেন বলে আশা প্রকাশ করেন। #


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category