• শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:১৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
কৃষিপণ্য আমদানিনির্ভরতা থেকে বেরিয়ে আসাই সরকারের লক্ষ্য: কৃষিমন্ত্রী রাজশাহীতে ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারের সেবার মান বাড়াতে কমিশনারের নির্দেশনা অনিয়ম, দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হওয়ায় নওগাঁর মান্দায় কালিকাপুর ইউপি চেয়ারম্যান সাময়িক বরখাস্ত নওগাঁ জেলা জামায়াতের নেতৃত্বে পরিবর্তন, নতুন আমির মাহফুজুর রহমান নর্থ বেঙ্গল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির প্রক্টরিয়াল টিমের সদস্য হলেন প্রভাষক আবু সাঈদ কুষ্টিয়ায় মৃত চেয়ারম্যানের নামে ১০৭ বস্তা চাল বরাদ্দ ফুলবাড়ী উপজেলার মাদিলাহাট ব্যবসায়ী সমিতির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। রাণীনগরে আগাম জাতের ধান কাটা শুরু কৃষকের ঘরে আসছে নতুন সোনালী ফসল রাণীনগরে নানা আয়োজনে জাতীয় যুব দিবস পালিত ফুলবাড়ীতে রাজমিস্ত্রি রুহুল আমিন হত্যার বিচারের দাবিতে লাশ সামনে রেখে মানববন্ধন।।

পোরশায় সঞ্চয়ের টাকা ফেরতের দাবিতে বে-সরকারি সংস্থা সাঁকোর পরিচালকের বাড়ি ঘেরাও

দিনকাল বিডি / ১২৯ Time View
প্রকাশঃ সোমবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৩

পোরশা(নওগাঁ)প্রতিনিধি: নওগাঁর পোরশায় সঞ্চয়ের টাকা ফেরতের দাবিতে গ্রাহক কতৃক কথিত বে-সরকারি সংস্থা সাঁকোর নির্বাহী পরিচালক জহুরুল ইসলামের বাড়ি ঘেরাও। রোববার সংস্থাটির তিন শতাধীক গ্রাহক-কর্মচারী তাদের বিভিন্ন সঞ্চয়ের টাকা ফেরত নিতে উপজেলার দুয়ারপাল ভুট্টাপাড়ায় জহুরুলের বাড়ি ঘেরাও করেন।

এসময় বাড়িতে কেউ ছিলনা এবং জহুরুল আগে থেকেই পলাতক রয়েছে বলে জানাগেছে। জানাগেছে, প্রতারক জহুরুল ইসলাম ও মাসুদ রানা নামে এক ব্যক্তি ২০২০ সালে গাংগুরিয়া ইউনিয়নের সরাইগাছি মোড়ে সাঁকো নামে একটি এনজিও এর কার্যক্রম শুরু করেন। এর ফাঁদে ফেলে বিভিন্ন অংকের জামানতের মাধ্যমে কিছু কর্মকর্তা কর্মচারীও নিয়োগ দেন তারা। নিয়েগকৃত কর্মচারীদের মাধ্যমে বিভিন্ন প্রোলোভন দেখিয়ে কয়েক হাজার গ্রাহকের কাছ থেকে কয়েক কৌটি টাকা হাতিয়ে নেয়।

পরে এনজিওটি ভুয়া বলে কয়েকজন গ্রাহকের অভিযোগের ভিত্তিতে নওগাঁ জেলা প্রশাসক এর সত্যতা পেয়ে সংস্থাটি বন্ধ করে দেন। ফলে গ্রাহকরা বিপাকে পড়ে যায়। বিগত কয়েকমাস গ্রাহকরা তাদের সঞ্চয়কৃত অর্থ ফেরত না পেয়ে রোববার তার বাড়ি ঘেরাও করেন।

উপস্থিত একজন গ্রাহক শিশা ভবানীপুর গ্রামের শিউলি সাহা সহ নাম প্রকাশে একাধীক কর্মচারী ও গ্রাহক জানান, শিউলি সাহার ১০ লক্ষ টাকা এবং অন্যান্যদের ৫০ হাজার থেকে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত সংস্থাটিতে জমা আছে। এই টাকা গুলির দ্বিগুন টাকা তাদের দেওয়ার কথা কিন্তু এপর্যন্ত তারা তাদের আসল টাকা ফেরত পাননি।

এ ব্যাপারে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা। এবিষয়ে জানতে চাইলে পোরশা উপজেলা নির্বাহী অফিসার সালমা আক্তার বলেন, তিনি বিষয়টি শুনেছেন। যেহেতু এনজিও কতৃপক্ষ গ্রাহকদের সাথে প্রতারনা করেছেন। সেহেতু এটি একটি ফৌজদারী আইনের বিষয়। এব্যাপারে ভুক্তভোগিরা মামলা করার মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা নিতে পারেন। পরে ভুক্তভোগিরা স্থানীয় প্রশাসনকে অবগত করলে সেক্ষেত্রে স্থানীয় প্রশাসন কিছু ব্যবস্থা নিতে পারে বলে তিনি জানান।#


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category