বাগেরহাট প্রতিনিধি:
বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে পঞ্চকরণ ইউনিয়নে ১নং ওয়ার্ডে ‘খারইখালী পঞ্চকরণ সম্মিলিত যুবকদের উদ্যোগে পাঞ্জেখানা মসজিদে’ হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে পাঞ্জেখানার একটি দরজা ভেঙ্গে তছনছ হয়ে গেছে। শনিবার (৫ রমজান) ইফতারের পূর্বে হামলা চালায় একদল দৃর্বৃত্তরা।
পাঞ্জেখানার সভাপতি ইমাম মো. মাহবুবুল আলম বলেন, পিঞ্জু হাওলাদার পাঞ্জেখানার মধ্যে ইফতার তৈরির কাজ করছিলেন কিছুক্ষন হঠাৎ একজন মুসল্লি ডাক দিয়ে বললো, পিঞ্জু তুমি পাঞ্জেখানা থেকে বের হইস না। তোমাকে দুলাল ভান্ডারি লোকজন নিয়ে মারপিট করবে। বলার কিছুক্ষণ পরেই একই এলাকার দুলাল মোল্লা ওরফে (ভান্ডারি) (৫০), কবির মোল্লা (৪৫) , কালাম মোল্লার নেতৃত্বে পিঞ্জুর ওপর চড়াও হয় এতে পিঞ্জু আহত হয়। পাঞ্জেখানার দরজা কুপিয়েছে একদল দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় এলাকায় চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে।
এদিকে মুসল্লি আব্দুর বারেক শেখ, আসলাম হোসেন, আলি আজিম, ইমাম মো. মাহবুবুল আলমসহ একাধিক ব্যক্তি বলেন, এ পাঞ্জেখানাটি ১০ বছর ধরে চলে আসছে। প্রতিবছর যুবকদের উদ্যোগে মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। পাঞ্জেখানার ওপর সন্ত্রাসী হামলার দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবি জানান।
পার্শ্ববতী ওয়ার্ডের মো. শাহিন হাওলাদার ক্ষোভের সাথে বলেন, সন্ত্রাসীরা পাঞ্জেখানা মসজিদের ওপর হামলার দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই প্রশাসনের প্রতি।
এ বিষয়ে দুলাল মোল্লা তার বিরুদ্ধে আনিক অভিযোগ অস্বিকার করে বলেন, পাঞ্জেখানার ওপর কোন হামলার ঘটনা ঘটেনি। আমার চাচা কালাম মোল্লার কাছে কিছুদিন পূর্বে গরুর খাদ্য (কুঠা) ক্রয় বাবাদ ৬ হাজার টাকা দিয়েছি।
কিছুদিন পরে আমার চাচার নিকট কুঠা চাইতে গেলে সে জানিয়ে দেয় পিঞ্জু হাওলাদার কুঠা দেবে টাকাটা তাকে দিয়েছি। সে কিছুদিন ঘুরাতে থাকে এবং অন্যর কাছে বেশী দামে বিক্রি করে দেয়। এক পর্যায় আমি নিজে পিঞ্জুর কাছে টাকা ফেরৎ অথবা গরুর খাবার কুঠা চাইতে গেলে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে কালাম মোল্লাকে মারপিট করে সে বর্তমানে খুলনা মেডেকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি আছে।