• বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:০৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
রাণীনগরে নানা আয়োজনে জাতীয় যুব দিবস পালিত ফুলবাড়ীতে রাজমিস্ত্রি রুহুল আমিন হত্যার বিচারের দাবিতে লাশ সামনে রেখে মানববন্ধন।। সৌদি আরবে অগ্নিকাণ্ডে নিহত নওগাঁর ৫ প্রবাসীর মরদেহ দাফন নওগাঁর মান্দায় ভালাইন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আবুল কালাম আজাদের ব্যাপক গণসংযোগ রাজশাহীতে ডিবির অভিযানে পালিয়েছে কুখ্যাত মাদক কারবারী মাসুম ভারতীয় সিরাপসহ প্রাইভেট কার জব্দ, গ্রেপ্তার ১২ রাজশাহীতে পথকুকুরের মুখে খাবার তুলে দিচ্ছেন কাজল রেখা রাজশাহীতে ৫২ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারী গ্রেপ্তার বাঘায় বৃদ্ধাকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ, ২২ বছরের নারীকে কিশোরী দেখিয়ে থানা থেকে ছাড়ার দাবি রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতে এগিয়ে মেয়েরা, ৩৯ কলেজে কেউ পাস করেনি নওগাঁর মান্দায় এমপির সঙ্গে প্রসাদপুর দলিল লেখক সমিতির নতুন কমিটির শুভেচ্ছা বিনিময়

অনরার মনত কী আছে, ইয়ান জানিবার লাই এডে আইস্যি আঁই : চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষায় ড. মোহাম্মদ ইউনূস

দিনকাল বিডি / ৯৮ Time View
প্রকাশঃ রবিবার, ১৬ মার্চ, ২০২৫

এম, এ কাশেম, বিশেষ প্রতিনিধি চট্টগ্রাম :: পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকতের জেলা কক্সবাজারে ব্যবসা ও অর্থনীতির ব্যাপক সম্ভবনার কথা তুলে ধরে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির জন্য কী কী করণীয়, তা স্থানীয়দের কাছে জানতে চেয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশের মানুষ যথেষ্ট ভাগ্যবান। কারণ তাদের একটি সমুদ্র আছে, যা বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ব্যবসা করতে উদ্বুদ্ধ করে। গতকাল শুক্রবার কক্সবাজারে বিআইএএম অডিটোরিয়ামে স্থানীয় জনগণের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এ কথা বলেন প্রধান উপদেষ্টা। স্থানীয় ব্যবসায়ী, শিক্ষক, ছাত্র, এনজিওকর্মী, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ এ মতবিনিময় সভায় অংশ নেয়। খবর বিডিনিউজ’র।

আলাপচারিতার বেশিরভাগ অংশ জুড়ে চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষায় কথা বলেন ইউনূস। উপস্থিত স্থানীয় সুধি সমাজও চট্টগ্রামের মানুষ ইউনূসের সঙ্গে স্থানীয় ভাষায় আলাপ চালিয়ে যান। ইউনূস তার বক্তব্যের শুরুতেই বলেন, অর্থনীতিতে কক্সবাজারের বিরাট ভূমিকার সম্ভাবনা রয়েছে। ইয়ান ক্যান করি গরন যাইব, অনরার মনত কী আছে, ইয়ান জানিবার লাই আইস্যি। [কক্সবাজারের বিশাল অর্থনৈতিক সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সম্ভাবনা কীভাবে কাজে লাগানো যায়, তা নিয়ে আপনাদের ভাবনা কী, তা জানতে এসেছি।]
সমুদ্রভিত্তিক অর্থনীতির সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশের একটি দীর্ঘ সমুদ্রতীর রয়েছে এবং চট্টগ্রামের সমুদ্রতীরের যে কোনো স্থানে সমুদ্রবন্দর নির্মাণ করা সম্ভব। কক্সবাজারে ব্যাপক পরিবর্তন আনা হয়েছে। এটি কেবল একটি পর্যটন শহরই নয়, বরং অর্থনীতিরও কেন্দ্র হবে।

নেপাল এবং ভারতের ‘সেভেন সিস্টার্সের’ কোনো সমুদ্র নেই, সে কথা তুলে ধরে ইউনূস পারস্পরিক সুবিধার্থে বাংলাদেশের সমুদ্রবন্দর ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, আমরা ব্যবসা করতে পারলে সকলের ভাগ্য বদলে যাবে।
কক্সবাজারের লবণ উৎপাদনকারীদের কাছে ইউনূস জানতে চান, বিদেশি আমদানিকারকরা বাংলাদেশ থেকে আমদানি করতে আগ্রহী কিনা। কেননা কক্সবাজারের কৃষকদের উৎপাদিত লবণ রপ্তানি করার সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি পাইলট ভিত্তিতে কক্সবাজারে বায়ু বিদ্যুৎ উৎপাদনের পাশাপাশি বায়ুশক্তির (বায়ুপ্রবাহের শক্তি কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন) সম্ভাবনা সম্পর্কে খোঁজ নেন।
স্থানীয় জনগণকে ভবিষ্যতে সুযোগ গুলো কাজে লাগানোর আহ্বান জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, কক্সবাজার অর্থনীতির একটি ‘বৃহৎ শক্তি’ এবং এটি তথ্য প্রযুক্তির ও একটি শহর হতে পারে।

তিনি স্থানীয় জনগণের কাছে তাদের ওপর রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের প্রভাব জানতে চান। কক্সবাজারের উন্নয়নে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মতবিনিময় সভায় মানুষ প্রধান উপদেষ্টার সামনে বিভিন্ন প্রস্তাব ও দাবি পেশ করেন।
বর্তমানে দেশের রাষ্ট্রিয় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত অন্তর্বর্তী কালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মোহাম্মদ ইউনূস এ সময় বাংলাদেশে আগত জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস কে সাথে নিয়ে বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে গতকাল ঢাকা থেকে রওয়ানা হয়ে দুপুরে কক্সবাজারে পৌঁছান । সেখান থেকে পরে উখিয়ায় রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে যান তারা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category