এম, এ কাশেম,জেলা প্রতিনিধি চট্টগ্রাম :
চট্টগ্রামের সর্বোত্র এখন ‘কিশোর গ্যাং’ নামক বখাটে ছেলেদের সিমাহীন উৎপাত’র সংবাদ পাওয়া গেছে/যাচ্ছে। এলাকার সর্ব শ্রেণী ও পেশার মানুষ তাদের বখাটেপনার কারনে জিম্মি হয়ে পড়েছে। মান-সম্মান হারানোর ভয়ে প্রতিবাদ কারী থাকলে ও প্রায় সবাই সব কিছু দেখে শুনে ও নিরব থাকতে বাধ্য হচ্ছে। এমন কি তাদের বখাটেপনার কাছে তাদের মা-বাবা, ভাই-বোন সহ পরিবার-পরিজনের প্রায় সবাই বলতে গেলে একপ্রকার জিম্মি হয়ে রয়েছে। বৃহত্তর: চট্টগ্রামের প্রায় সব উপজেলা গুলোতেই এক প্রকার ওই ‘কিশোর গ্যাং’ এর সিমাহীন উৎপাত: এর খবর পাওয়া গেছে/যাচ্ছে।দেশের প্রধান বন্দরনগরী চট্টগ্রামের প্রবেশদ্বার মীরসরাই উপজেলা দিয়ে শুরু করা হলো ওই ‘কিশোর গ্যাং’ সম্পর্কিত প্রতিবেদন।
খবরে প্রকাশ: মীরসরাই উপজেলার প্রত্যকটি এলাকায় ‘কিশোর গ্যাং’ এর উৎপাত দিন-দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে! আর সে নীরিখে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে তা গ্রাম্য এলাকায় মহামারীর রুপ ধারণ করবে বলে এক কথায় প্রায় প্রতিটি এলাকার বৃদ্ধ-বৃদ্ধা সহ সকল শ্রেণী ও পেশার নারী-পুরুষরা তাদের মন্তব্য প্রকাশ করতে গিয়ে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ব্যাক্তিরা মনে করেন, কিশোর গ্যাংয়ের উৎপাত বন্ধ করতে কতেকগুলো পদক্ষেপ গ্রহণ অত্যাবশ্যকীয়। যার মধ্যে সর্বাল্লেখযোগ্য হচ্ছে- প্রতিটি এলাকায় ‘কিশোর গ্যাং’ নিধন কমিটি করতে হবে। এবং প্রত্যেক টি এলাকার ইউপি মেম্বারদের কিশোর গ্যাংয়ের সাথে সম্পৃক্ততা আছে কি না তা ও মনিটরিংয়ে রাখার ব্যবস্থা রাখতে হবে। এ থেকে কোনো রাজনৈতিক দলের নেতাদের কে ও বাদ দেয়া যাবে না। কারন হিসেবে উল্লেখ যোগ্য হচ্ছে- গুটি কতেক রাজনৈতিক দলীয় নেতা নামধারীরা নিজেদের স্বার্থ হাসিলের মানসে ‘কিশোর গ্যাং’ নামক ওই সব বখাটে ছেলেদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দিয়ে বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করে থাকে।
অবশ্য ওই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করে যাওয়ার দায়িত্ব কিন্তু মেম্বারদের ওপর বর্তায়।আর তা করতে যদি মেম্বাররা ব্যর্থ হয় তাহলে তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে।সন্ধ্যার পর পড়া-লেখা বাদ দিয়ে কোন্ বাড়ি/ঘর- বাসা থেকে কার ছেলেরা বেরিয়ে যায় তার খবরাখবর অত্যন্ত গোপনীয় ভাবে জেনে নিয়ে তার পর যথাস্থানে পুলিশি অভিযান চালাতে হবে। এবং প্রত্যেক টি উপজেলা/ পৌরসভা এলাকার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক-শিকাদের মাধ্যমে ক্লাশ রুমে বলে দিতে হবে- রাত ৯/১০ টার পর অপ্রাপ্তবয়স্ক কোনো ছেলে ঘর/বাড়ি-বাসা ছেড়ে রাস্তায় বা অন্য কোথাও একত্রে জমায়েত থাকলে অথবা ঘুরাফেরা করলে পুলিশ তাদেরকে গ্রেপ্তার করবে। উপরোক্ত কথাগুলো প্রত্যেকটি পরিবারের কর্তা ব্যাক্তিদের কে বলে দিতে হবে।
চট্টগ্রামের অধিক শিক্ষা অর্জন কারী ব্যাক্তি বিশেষ বলেন, এমন কথা যারা অমান্য করে ওই রকম ভাবে চলাফেরা করে তাহলে তাদের কে সত্যাসত্য পুলিশ দিয়ে গ্রেপ্তার করাতে হবে।অভিজ্ঞতা সম্পন্ন চট্টগ্রামের অধিকাংশ এলাকার শিক্ষিত/অভিজ্ঞজনরা মনে করেন, সরকারি ভাবে স্ব, স্ব এলাকার সংশ্লিষ্ট প্রশাসন যদি ওই রকম কার্যক্রম পরিচালনা করেন তাহলে ‘কিশোর গাং’ বলতে এর অস্তিত্ব ও কোথাও খুঁজে পাওয়া যাবে না।