মোঃ মনির হোসেন স্টাফ রিপোর্টার :ময়মনসিংহের ত্রিশালে গফরগাঁও ও ত্রিশাল উপজেলার সীমান্ত এলাকায় এক নিরীহ ব্যক্তির শতাধিক বিভিন্ন প্রজাতির গাছ ইউপি চেয়ারম্যানের নির্দেশে দিনে দুপুরে প্রকাশ্যে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে গাছ কেটে দিয়েছে প্রভাবশালী ও তার সন্ত্রাসী বাহিনী।
সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে গফরগাঁও ও ত্রিশাল উপজেলার সীমান্ত এলাকার গফরগাঁও আলালপুর গ্রামের তসিম উদ্দিনের ২শতাংশ জমি রয়েছে ত্রিশাল উপজেলার সীমান্ত এলাকা বাহাদুরপুর গ্রামে দুই শতাংশ জমিতে ৭/৮ বছর আগে কাঁঠাল রেইনটি, শিমুল সুপারীসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ রোপন করেন। দুই শতাংশ জমি সড়কের উপর হওয়ায় এর মূল্য বেশী এবং ওই জমির পেছনে প্রভাশালী সাহাবুদ্দিনের জনি ও বাড়ীঘর রয়েছে। সে জন্য এ জমিটি সে জোরপূর্বক দখলে নিতে চায় বলে দাবী করেছেন অসিম উদ্দিনের ছেলে আব্দুল কাদির। আব্দুল কাদির জানান আমার বাবা ও সাহাবুদ্দিন আপন ভাই। আমার বাবা শরীর ও অসুস্থ থাকায় প্রভাবশালী জেঠাতো ভাই তাইজ উদ্দিন লিটন জোরপূর্বক জমি নিতে বিভিন্ন চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়। গত ২৮ আগস্ট বুধবার ত্রিশাল থানার এসআই হুমায়ুন কবীর আমাকে থানায় ডেকে নিয়ে জোরপূর্বক একটি সাদা কাগজে স্বাক্ষর রাখতে চান। পরে ত্রিশাল উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল কালাম শামছুদ্দিনের হস্তক্ষেপে বিনা স্বাক্ষরে থানা থেকে বেরিয়ে আসেন আব্দুল কাদের। পরে ত্রিশাল থানার এসআই হুমায়ুন কবীর আমাকে জমিতে যেতে নিষেধ করেন এবং লিটন যদি গাছ কাটতে যায় তাহলে বাধা দিতে না করেন। ওদিকে বালিপাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ বাদল লিটনকে গাছ কেটে ফেলার নির্দেশ দেন পুলিশকে অবগত করান। গত বৃহস্পতিবার দুপুরে লিটনের নেতৃত্বে একদল অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী আমাদের গাছগুলো কেটে মাটির সাথে মিশিয়ে দেন।
আব্দুল কাদের জানান, আমরা বিষয়টি নিয়ে বিশাল উপজেলার বালিপাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মাদ বাদলের আছে অভিযোগ আগে তিনি বিষয়টির মিমাংসা করবেন বললেও পরে লিটনের পক্ষ নিয়ে সিরাজ মেঘারের মাধ্যমে আমাদেরকে জানিতে যেতে নিষেধ করেন এবং গাছমেম্বারের মাধ্যমে আমাদেরকে জমিতে যেতে নিষেধ করেন এবং গাছ কেটে ফেলার নির্দেশ দেন।
বালিপাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ বাদল জানান, এ জমিটি লিটনের। জোর করে বেড়া দিয়েছে তসিম উদ্দিন। যার জমি আমি তাকে গাছ কাটতে বলেছি।
এ ব্যাপারে ত্রিশাল থানার এসআই হুমায়ুন কবীর জানান আমি দুই পক্ষকে ডেকে মিমাংসার চেষ্টা করেছি। কিন্তু তারা আপোষ না হওয়ায় চলে গেছে। এ ব্যাপারে আমি আর কিছু জানিনা।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত লিটনের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমার জমিতে কে বা কারা গাছ লাগিয়েছে। সে জন্য আমরা কেটে ফেলেছি।