নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি : ময়মনসিংহের নান্দাইল ডিজিটাল প্রেসক্লাব ও জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা নান্দাইল উপজেলা শাখার সহ সভাপতি, সিটিজেন জার্ণালিস্ট ক্লাবের সভাপতি মুক্ত মনের লেখক ও সাংবাদিক হাফেজ শাহ্ মোঃ মিজানুর রহমান ওরফে হারুন ফকিরের নামে চন্ডীপাশা ইউনিয়নের ধূরুয়া পাচঁপাড়া গ্রামের কুখ্যাত সন্ত্রাসী ও চুর তানভীরের পরামর্শে মোঃ এখলাছ উদ্দিনের পুত্র মোঃ নূরুল আমিন
গত ২৯শে মার্চ সন্ধ্যা আনুমানিক ৬টা ৪০মিনিট সময় উল্লেখ করে নান্দাইল মডেল থানায় সাংবাদিক শাহ মোঃ মিজানুর রহমানকে ৭নং আসামী করে ৮ জন ও অজ্ঞাতনামা ২/৩ জন সহ নান্দাইল মডেল খানায় মারামারির ঘটনা উল্লেখ করে একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করে। মামলা নং- ৬, তারিখ ০৪/০৪/২০২৫ইং। মামলায় ২৯শে মার্চ ৬টা ৪০মিনিট ঘটনার সময় উল্লেখ করা হয়। অথচ উক্ত সাংবাদিক ২৯শে মার্চ বিকাল ৫টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা ৩০মিনিট পর্যন্ত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি থেকে ১৫৪, ময়মনসিংহ-৯ নান্দাইল আসনে এমপি পদে মনোনয়ন প্রত্যাশী মেজর জেনারেল অব: আনোয়ারুল মোমেন কর্তৃক নান্দাইলের সাংবাদিকদের নিয়ে তাঁর নিজ বাড়ি মুশুলী ইউনিয়নের নবিয়াবাদ গ্রামে মতবিনিময় সভা ও ইফতার মাহফিলের আয়োজন করেন।
উক্ত মতবিনিময় সভায় নান্দাইলের ৬৮জন সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন এবং সম্মেলনের হাজিরা সীটে সাংবাদিক মিজান ৩৮নং ক্রমিকে উপস্থিতি স্বাক্ষর করে মতবিনিময় সভায় যোগদান করেন।
বিষয়টি উপস্থিত ৬৮জন সাংবাদিক বিষয়টি অবহিত আছেন। বিবাদী মিজান ঘটনাস্থল থেকে ২০কিলোমিটার দূরে অবস্থান করলেও তাকে বাদী ৭নং আসামী করেছে। বিষয়টি নান্দাইলের সাংবাদিক সমাজ জানতে পেরে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন এবং অবিলম্বে উক্ত মামলা থেকে সাংবাদিক ও লেখক শাহ্ মিজানুর রহমানের নাম বাদ দেওয়া সহ কোন প্রকার হয়রানী না করার জন্য নান্দাইল পুলিশ প্রশাসনের নিকট জোর দাবী জানিয়েছেন।
একই সাথে সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ গৌরিপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বরাবর বিষয়টি সরজমিনে এবং উপস্থিতি স্বাক্ষর পর্যবেক্ষন করে তাকে মামলা থেকে অব্যাহতি প্রদানের জোরদাবী জানিয়েছেন।