নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজশাহী মহানগরীর জামালপুরে নৌকা প্রতিকের মেয়র প্রার্থী এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনের নির্বাচনি ক্যাম্প, পোষ্টার ও শতাধীক চেয়ার ভেঙ্গেছে দুস্কৃিতকারীরা।
শনিবার (১০ জুন) দুপুর সোয়া ১২টায় নগরীর চন্দ্রিমা থানার জামালপুর এলাকায় এই ভাংচুরের ঘটনা ঘটে।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যান গণমাধ্যম-কর্মীরা। ওই সময় প্রায় ২’শতাধীক নৌকা প্রতিকের নারী সমর্থক সেখানে ক্ষোভে ফেটে পড়েন। নৌকা প্রার্থীর সমর্থক নারীরা সাংবাদিকদের ক্যামেরার সামনে বলেন, কাউন্সিলর পদপ্রার্থী বাচ্চু তার সমর্থকদের সাথে নিয়ে সাবেক কাউন্সিলর কোয়েলের সমর্থকদের উপর হামলা করে। এ সময় হামলাকারিরা মেয়র প্রার্থী খায়রুজ্জামান লিটনের অস্থায়ী নির্বাচনি ক্যাম্প, পোষ্টার ছেড়া, ভাংচুর ও শতাধিক প্লাষ্টিকের চেয়ার লুটপাট করে নিয়ে যায়। লুটপাটে বাঁধা দেয়ায় বাচ্চুর সমর্থক মোঃ মতিউর রহমান মতি ও বারিউল আলম শান্ত নৌকার সমর্থক নারী বানেরা সহ আরও কয়েকজন নারীকে মারধর করে। বাচ্চুর সমর্থকরা নারীদের উদ্দেশ্যে বলেন, কোয়েলকে ভোট দিলে তোদের ধর্ষণ করা হবে। এছাড়া অকাথ্য ভাষায় তারা গালিগালাজ করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। এ সকল ঘটনার নেপথ্যে ছিলেন মোঃ মতিউর রহমান মতি ও বারিউল আলম শান্ত। যাহা প্রকাশ্যে ক্যামেরার সামনে নারীরা বলেছেন।
স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, মোঃ মতিউর রহমান মতি, সে নগরীর চন্দ্রিমা থানার জামালপুর এলাকার বিদ্যাশূণ্য বখাটে। তাকে মদত দেয় বারিউল আলম শান্ত। তারা এলাকায় সকল মাদক কারবারিদের ভয় দেখিয়ে চাঁদা আদায় করে থাকে। তারা এমনি জুলুমবাজ যে, স্বামী-স্ত্রী ঝগড়া বিবাদ সৃষ্টি হলেও ভয় দেখিয়ে টাকা নিতে ছাড়ে না। এছাড়াও যে কোন ছুঁতো পেলে বø্যাকমেইল ও ভয়ভীতি দেখিয়ে টাকা হাতায় এই মতি ও তার সহযোগী শান্ত। তাদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
শনিবার বিকালে নৌকা প্রতিকের মেয়র প্রার্থী খায়রুজ্জামান লিটনের ক্যাম্প পরিদর্শণ করেন, মহানগর মহিলা-লীগের এক নেত্রী (সরকারী এ্যাডভোকেট)। এ সময় তিনি গণমাধ্যম কর্মীদের ক্যামেরার সামনে বলেন, এখানকার বোনেরা যা বলছেন তাই সত্যি। কারন তারা ঘটনা দেখেছেন। চেয়ার ভাংচুর, পোষ্টার ছেড়া, ক্যাম্প ভাংচুর করেছে মতি ও শান্ত-সহ নোংরা কুচক্রি মহল। কেউ আইনের উর্দ্ধে নয়। যদি তারা এই কাজটি করে থাকে, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।