স্টাফ রিপোর্টারঃ নওগাঁর মহাদেবপুরে উৎসব মুখোর পরিবেশে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বৃহৎতম শারদীয় দুর্গােৎসবের উৎযাপনে ব্যাপক প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে।উৎসব মুখোর পরিবেশে এ দুর্গাপুজা উদযাপনে সহায়তা হিসেবে সরকারী ভাবে প্রতিটি মণ্ডপে ৫০০ কেজি করে চাউল এবং নগত ১০ হাজার করে টাকা বরাদ্দ দেয়া হবে বলে উপজেলা প্রশাসন সুত্রে জানা গেছে।ইতোমধ্যেই আনুষ্ঠানিক ভাবে পুজা শুরুর দিন ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে কর্মব্যস্ততা বেড়েছে দেবী দূর্গার প্রতিমা তৈরির কারিগরদের।দিবারাত্রি নিদ্রাহীন ভাবে দেবী দুর্গার প্রতিমা তৈরিতে তারা ব্যাস্ত সময় পার করছে।গতকাল ২ অক্টোবর বুধবার মহালয়ার মধ্য দিয়ে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বৃহৎতম শারদীয় দুর্গা পুজার আগমন বার্তা পৌঁছে গেছে হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রানে।আর এ মহালয়ার ৬ দিন পর দেবী দূর্গার বোধনের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিক ভাবে বেজে উঠবে শঙ্খ এবং ঘন্টা।অর্থাৎ আগামী ষষ্ঠী পূজার মধ্য দিয়ে দুর্গাপূজা আনুষ্ঠানিক ভাবে শুরু হবে।উপজেলার ১০ ইউনিয়নে এবছর ১৫০ টি স্থায়ী এবং অস্থায়ী মন্ডপে দুর্গা পুজার আয়োজন করা হয়েছে।উপজেলায় গত বছরের চেয়ে এবছর পুজা কমেছে ৩টি।এ পুজা উদযাপন উপলক্ষে উপজেলার মণ্ডপে মণ্ডপে ডেকোরেশন এবং আলোক সজ্জার ব্যাপক প্রস্তুতি চলছে।এদিকে নির্বিঘ্নে শান্তিপূর্ণ ও উৎসব মুখোর পরিবেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষরা যাতে দূর্গােৎসব পালন করতে পারে সেই লক্ষে উপজেলার প্রতিটি মণ্ডপে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যাবস্থা দেয়া হবে বলে জানান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আরিফুজ্জামান।থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি হাসমত আলী জানান, মণ্ডপ গুলোতে পুজা শুরুর দিন থেকে, একজন এএসআই এর নেতৃত্বে ৬ জন করে আনসার ও ভিডিপি’র সদস্য নিরাপত্তায় নিয়োজিত থাকবে।এছাড়াও সংশ্লিষ্ট সুত্র আরো জানান, নির্বিঘ্নে দুর্গা পুজা উদযাপন উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে কন্ট্রোল রুম খোলাসহ থানা পুলিশের একাধিক মোবাইল টিম এবং মণ্ডপ গুলোতে একজন করে সরকারি কর্মকর্তা ট্যাগ অফিসার হিসেবে দ্বায়িত্ব পালন করবেন।উপজেলার বিভিন্ন দুর্গা মণ্ডপের সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদকের সঙ্গে কথা হলে তারা জানান, ইতোমধ্যেই সরকারের বরাদ্দকৃত ৫০০ কেজি চাউল এর ডিও লেটার তারা পেয়েছেন এবং নগত ১০ হাজার টাকা পুজার আগেই তারা পাবেন বলে আসা করছেন।