এম আর সাইফুল, মাদারগঞ্জ, জামালপুরঃ
তিন দিনের ব্যবধানে মাদারগঞ্জে কেজিপ্রতি পেঁয়াজের দাম বেড়েছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা। আলুর দাম বেড়েছে কেজিতে ২০ থেকে ২৫ টাকা। খুচরা ব্যবসায়ীরা বলছেন, এখন দাম বেশি তবে শিগগিরই কমে যাবে।
কোনো কারণ ছাড়াই দাম বাড়ায় অবাক ক্রেতারা। তারা হতাশা প্রকাশ করে বলছেন, এমন দেশ কোথাও নেই যেখানে কারণ ছাড়াই ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে পেঁয়াজের দাম বাড়ায়। সরকারের উচিত দ্রুত বাজার মনিটরিং করা।
মঙ্গলবার (৩১ অক্টোবর) সরেজমিনে জামালপুর জেলার মাদারগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন বাজারগুলোতে দেশি পেঁয়াজ ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হতে দেখা গেছে। আর আমদানি করা পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১২৫ টাকা কেজিতে।
অথচ গত বৃহস্পতিবার উপজেলার বিভিন্ন বাজারে দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৯০ টাকা কেজিতে। আর আমদানি করা পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৭০ থেকে ৭৫ টাকা কেজি। অর্থাৎ তিন দিনের ব্যবধানে কেজিপ্রতি ৫০ থেকে ৬০ টাকা বেশি দরে বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা।
একই দৃশ্য দেখা গেছে সাদা আলু বিক্রিতেও। বৃহস্পতিবার এই আলু ৪০ থেকে বাড়িয়ে ৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছিল। সেই আলু আজ বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৬৫ টাকা কেজিতে। অর্থাৎ পেঁয়াজের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে আলুর দামও
উপজেলার জোনাইল বাজারের এক ব্যবসায়ী বলেন, পেঁয়াজ ও আলুর দাম বাড়ছে। তিনি বলেন, তিন’দিন আগেও দেশি পেঁয়াজ বিক্রি করেছি ৯০ টাকা কেজিতে। আজ দেশি পেঁয়াজ কেনাই পড়েছে ১৪০ টাকা কেজি। তেঘরিয়া বাজারের এক পাইকারি ব্যাবসয়ী বলেন আমি ১২০ টাকা কেজি বিক্রি করছি। আর দেশি পেঁয়াজ খরচসহ কেনা পড়েছে ১১৮ টাকা কেজি।
ক্রেতা সোহেল মিয়া বলেন, তিনদিনের ব্যবধানে সেঞ্চুরি পার করেছে পেঁয়াজ। তিনদিন আগে যে পেঁয়াজের কেজি ছিল ৯০ টাকা আজ তা বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকায়। এটা কি হরতালের প্রভাব?
উপজেলার বালিজুড়ী বাজার, গাবেরগ্রাম বাজার, জোনাইল বাজার ও তেঘরিয়া বাজার ঘুরে দেখা যায় একই চিত্র।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইলিশায় রিছিল জানান বাজার নিয়ন্ত্রণে বাজার মনিটরিং অব্যাহত আছে এবং ইতিমধ্যে আমরা বিভিন্ন বাজারের ব্যাবসায়ি ও হাট-বাজার কমিটির সভাপতি-সম্পাদকদের সাথে এ বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করেছি।