দিনকাল বিডি২৪ রিপোর্টার চট্রগ্রাম : আসন্ন দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১ মীরসরাই আসনে আওয়ামী লীগের মনোনীত নৌকার প্রার্থী, সাবেক মন্ত্রী, এমপি ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন এর পুত্র ইঞ্জিনিয়ার মাহবুবুর রহমান রুহেলের মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় সংবাদ সংগ্রহের পেশাগত কাজে সাংবাদিককে বাধা সৃষ্টি করেছে ছাত্রলীগ নেতা মাসুদ করিম রানা।
সাংবাদিক সূত্র জানায়, মীরসরাই উপজেলা পরিষদের সিঁড়িতে পুলিশের পাশে দাঁড়িয়ে সাংবাদিককে প্রবেশ করতে দেয়নি উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক মাসুদ করিম রানা।
বৃহস্পতিবার (৩০ নভেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে মীরসরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের সিঁড়ির সামনে প্রতিবন্ধতা সৃষ্টি করে এই বাধা সৃষ্টি করা হয়।
এ সময় সাংবাদিক প্রবেশে বাধা দেয়ার কারণ জানতে চাইলে মাসুদ করিম রানা সহ বেশ কয়েকজন ছাত্রলীগ নেতা-কর্মী মারমুখী আচরণ করে তার সাথে ও তাকে মেরে হাত-পা ভেঙে দেয়ার হুমকি দেয়। পরিবেশ উত্তেজিত হয়ে উঠলে ও মারমুখী আচরণ করলে আত্মরক্ষার্থে সংবাদ সংগ্রহ না করেই স্থান ত্যাগ করেন কয়েকজন সাংবাদিক।
দৈনিক দেশ বর্তমান পত্রিকার মমরসরাই উপজেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক আশরাফকে অশালীন ভাষায় গালিগালাজ করে মারতে উদ্যত হন মাসুদ করিম রানা। এসময় উপস্থিত দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা তাকে নিবৃত করতে হিমশিম খেতে হয়েছে।
এ সময় মাসুদ করিম রানা তার সাথে থাকা নেতা-কর্মীদের নিয়ে সাংবাদিক আশরাফকে মমরসরাই প্রেসক্লাবে প্রবেশ করে অথবা যেখানে পাওয়া যাবে সেখানে হত্যা করার হুমকি ও দেয় বলে সাংবাদিক আশরাফ অভিযোগ করেন।
সাংবাদিক আশরাফ উদ্দিন জানান, মীরসরাইয়ের চিহ্নিত এক মোটরসাইকেল ছিনতাই মামলার আসামিকে কলেজ ছাত্রলীগের কমিটিতে সাংস্কৃতিক সম্পাদকের পদ দেন মাসুদ করিম রানা। সে বিষয়ে মাসুদ করিম রানার স্বীকারোক্তি সহ সংবাদ প্রকাশ করেন তিনি। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে একাধিকবার আশরাফ উদ্দিনকে ফোনে এবং সরাসরি হুমকি দেয় এই ছাত্রলীগ নেতা।
মনোনয়নপত্র দাখিলে সাংবাদিকদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞায় কোনো নির্দেশনা ছিলো কি না জানতে চাইলে মাহবুবুর রহমান রুহেল বলেন, ছাত্রলীগের আহ্বায়ক মাসুদ করিম রানাকে এ ধরনের কোনো নির্দেশনা দেয়া ছিলো না। সাংবাদিকদের প্রবেশ উন্মুক্ত ছিলো।
ছাত্রলীগ নেতা মাসুদ যে কাজটি করেছে তা আমার জন্য ক্ষতি করেছে। তার সাথে এ ব্যাপারে আমি কথা বলব এবং ভবিষ্যতে এমন ঘটনার যেনো পুনরাবৃত্তি না হয় সেই ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।