• সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:৪০ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
রাণীনগরে নানা আয়োজনে জাতীয় যুব দিবস পালিত ফুলবাড়ীতে রাজমিস্ত্রি রুহুল আমিন হত্যার বিচারের দাবিতে লাশ সামনে রেখে মানববন্ধন।। সৌদি আরবে অগ্নিকাণ্ডে নিহত নওগাঁর ৫ প্রবাসীর মরদেহ দাফন নওগাঁর মান্দায় ভালাইন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আবুল কালাম আজাদের ব্যাপক গণসংযোগ রাজশাহীতে ডিবির অভিযানে পালিয়েছে কুখ্যাত মাদক কারবারী মাসুম ভারতীয় সিরাপসহ প্রাইভেট কার জব্দ, গ্রেপ্তার ১২ রাজশাহীতে পথকুকুরের মুখে খাবার তুলে দিচ্ছেন কাজল রেখা রাজশাহীতে ৫২ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারী গ্রেপ্তার বাঘায় বৃদ্ধাকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ, ২২ বছরের নারীকে কিশোরী দেখিয়ে থানা থেকে ছাড়ার দাবি রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতে এগিয়ে মেয়েরা, ৩৯ কলেজে কেউ পাস করেনি নওগাঁর মান্দায় এমপির সঙ্গে প্রসাদপুর দলিল লেখক সমিতির নতুন কমিটির শুভেচ্ছা বিনিময়

রাবি’র অধ্যাপক ড. তাহের হত্যার ১৭ বছর পর ২ খুনির ফাঁসি কার্যকর

দিনকাল বিডি ২৪ / ১৪৯ Time View
প্রকাশঃ শুক্রবার, ২৮ জুলাই, ২০২৩

মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ভূ-তত্ত¡ ও খনিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. এস তাহের আহমেদ হত্যা মামলার দুই খুনির ফাঁসি কার্যকর করা হয়েছে। চাঞ্চল্যকর এ হত্যাকাÐের ১৭ বছর পর দুই খুনির ফাঁসির রায় কার্যকর করা হলো রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে। বৃহস্পতিবার (২৭ জুলাই) কারা মহাপরিদর্শক (আইজি প্রিজন) ব্রি. জেনারেল এ এস এম আনিসুল হক এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার রাত ১০টা ১ মিনিটে আসামিদের ফাঁসি কার্যকর করা হয়। এ সময় রাজশাহী জেলা প্রশাসক শামীম আহমেদ, কারা উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি প্রিজন) মোঃ কামাল হোসেন, রাজশাহী সিভিল সার্জন ডা. আবু সাইদ মোহাম্মদ ফারুক, রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেলা সুপার আব্দুল জলিল, জেলার নিজাম উদ্দিনসহ ঊর্ধ্বতন কারা কর্মকর্তারা ফাঁসির মঞ্চের কাছে উপস্থিত ছিলেন। এর আগে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে একই মঞ্চে দুই আসামির ফাঁসি কার্যকর করতে সব ধরনের প্রস্তুতি শেষ করে কারা কর্তৃপক্ষ।
এর আগে বুধবার (২৬ জুলাই) সকাল থেকে দুপুরের মধ্যে কয়েক দফায় শেষ করা হয় দুই আসামির ফাঁসির চূড়ান্ত মহড়াও।
এতদিন রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারের কনডেম সেলে বন্দি ছিলেন এ হত্যা মামলার ফাঁসির আসামি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের একই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মিয়া মোহাম্মদ মহিউদ্দিন ও ড. এস তাহের আহমেদের বাড়ির কেয়ারটেকার জাহাঙ্গীর আলম। তাদের দুইজনকে ফাঁসিতে ঝোলাতে পুরো প্রক্রিয়ায় যুক্ত ছিলেন মোট আটজন জল্লাদ প্রস্তুত। প্রধান জল্লাদ ছিলেন আলমগীর হোসেন।
এছাড়া মরদেহ পরিবহনের জন্য আগেই প্রস্তুত রাখা হয়েছিল দুইটি কফিন এবং আলাদা দুটি অ্যাম্বুলেন্স। ফাঁসি কার্যকরের আগে দুই আসামিকে তওবা পড়ান কারা মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা মুজাহিদুল ইসলাম। এরই মধ্যে মঙ্গলবার (২৫ জুলাই) ড. মিয়া মোঃ মহিউদ্দিন এবং জাহাঙ্গীর আলমের পরিবার দেখা করে যান। ফাঁসি কার্যকরের আগে জেলকোড অনুযায়ী এটিই ছিল পরিবারের সঙ্গে ফাঁসির আসামিদের শেষ দেখা।
স্মরণকালের আলোচিত মামলায় দুই আসামির ফাঁসির রায় কার্যকর নিয়ে কঠোর গোপনীয়তা অবলম্বন করে কারা কর্তৃপক্ষ। ফাঁসির কার্যকরের সুনির্দিষ্ট সময় নিয়ে তাই সৃষ্টি হয়েছিল ধোঁয়াশা। গত দু’দিন থেকে তাই একেক সময় একেক ধরনের তথ্য পান গণমাধ্যমকর্মীরা।
বিভিন্ন সূত্র থেকে পাওয়া সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী বৃহস্পতিবার রাতে ফাঁসি কার্যকরের কথা ছিল। রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে একটিই ফাঁসির মঞ্চ থাকায় সেখানে পর্যায়ক্রমে এ দুই আসামির ফাঁসির রায় কার্যকর করা হয়।
রাবি অধ্যাপক ড. এস তাহের আহমেদ হত্যামামলার ফাঁসির রায় কার্যকর করার জন্য আটজন জল্লাদ প্রস্তুত রাখা হয়েছিল। সাধারণত একজন আসামির ফাঁসি কার্যকর করতে চারজন জল্লাদ প্রয়োজন হয়। তাই দুইজন আসামির জন্য আটজন জল্লাদ রয়েছেন। এদের মধ্যে একজনকে দেওয়া হয়েছিল প্রধান জল্লাদের দায়িত্ব। বাকিরা সহযোগী জল্লাদ হিসেবে দুই আসামির ফাঁসি কার্যকরে নিয়োজিত ছিলেন। এর মধ্যে আলমগীর, উজ্জ্বল, ইসলাম ও ওয়াহাব এই চারজনের নাম জানা গেছে। আর আলমগীর প্রধান জল্লাদ। আর বাকিরা বিভিন্ন মামলার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত কয়েদি আসামি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category