আনিসুর রহমান বাগাতিপাড়া (নাটোর) প্রতিনিধি:
আজ ৬ জুন। বীর মুক্তিযোদ্ধা, সাবেক সংসদ সদস্য, একুশে পদকপ্রাপ্ত (মরণোত্তর) শহীদ জননেতা মমতাজ উদ্দীনের ২৩তম শাহাদাত বার্ষিকী। দিনটি তাঁর পরিবার, সহযোদ্ধা, রাজনৈতিক সহকর্মী ও অসংখ্য শুভানুধ্যায়ীদের কাছে গভীর শোক, শ্রদ্ধা ও স্মরণে ভরা এক বেদনাবিধুর দিন।
দীর্ঘ ২৩ বছর পেরিয়ে গেলেও মানুষের হৃদয়ে মমতাজ উদ্দীনের স্মৃতি আজও অমলিন। জনমানুষের নেতা হিসেবে তিনি ছিলেন সাধারণ মানুষের আস্থার প্রতীক। মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকা, অন্যায় ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া এবং শোষিত-বঞ্চিত মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় নিরলস সংগ্রাম ছিল তাঁর রাজনৈতিক ও সামাজিক জীবনের মূল দর্শন।
মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত এই নেতা ক্ষমতা বা পদমর্যাদার চেয়ে মানুষের ভালোবাসাকেই বেশি গুরুত্ব দিতেন। তাঁর সাহসী নেতৃত্ব, দেশপ্রেম, সততা এবং মানবিক মূল্যবোধ তাঁকে সাধারণ মানুষের হৃদয়ে স্থায়ী আসন করে দিয়েছে।
শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বর্তমান সময়ে দেশ ও জাতি নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। এমন সময়ে মমতাজ উদ্দীনের মতো গণমুখী, দূরদর্শী ও সাহসী নেতৃত্বের অভাব গভীরভাবে অনুভূত হয়। দল-মত নির্বিশেষে মানুষের কল্যাণে তাঁর আত্মনিবেদিত ভূমিকা আজও সকলের কাছে অনুকরণীয় হয়ে আছে।
পরিবারের সদস্যরা বলেন, “তিনি আমাদের মাঝে নেই, কিন্তু তাঁর আদর্শ, সংগ্রাম, দেশপ্রেম এবং মানুষের জন্য কাজ করার শিক্ষা আজও আমাদের পথ দেখায়। তাঁর রেখে যাওয়া মূল্যবোধ আগামী প্রজন্মের জন্য প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।”
পরিবারের পক্ষ থেকে মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনায় দেশবাসীর কাছে দোয়া চাওয়া হয়েছে।
মহান আল্লাহ শহীদ জননেতা মমতাজ উদ্দীনকে জান্নাতুল ফেরদাউস নসিব করুন—এ প্রার্থনাই তাঁর পরিবার, শুভানুধ্যায়ী ও অনুসারীদের। আমিন।