সোহেল রানা,মৌলভীবাজার প্রতিনিধি: কুলাউড়া উপজেলার হাজীপুর ইউনিয়নে সংখ্যালঘু এক নারী (৩৯) কে জোরপূর্বক গণধর্ষণ করা হয়েছে। ঘটনার স্থিরচিত্র ভিডিও করে ওই নারীকে আবার ভয়ভীতি প্রদর্শন করে নগদ অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে চক্রটি।
এই ঘটনায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইউপি চেয়ারম্যান ওদুদ বক্স এর ভাই ইউনিয়ন যুবলীগের সাকুলাউড়ায়বেক সাধারণ সম্পাদক ছালিক বক্সকে প্রধান আসামি করে ৩ জনের বিরুদ্ধে কুলাউড়া থানায় একটি গণধর্ষণ মামলা হলে পুলিশ মানগাও গ্রামের হাসানুল বারী সানী( ৩০) ও সোনাপুর গ্রামের সাইফুর রহমান (২৮) নামক দুই আসামিকে আটক করেছে।
তবে ঘটনার মুলহোতা ইউপি চেয়ারম্যানের ভাই ছালিক বক্স এখনো পুলিশের নাগালের বাইরে। বাদী পক্ষের ধারণা ছালিক বক্স কে প্রতিবেশী দেশে পানিয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য পুলিশ তাকে আটক করছে না।
মামলার এজহার সুত্রে জানা যায় গত ঈদের দিন বিকেলে মৌলভীবাজার শহরের এক নারী কুলাউড়া উপজেলার হাজীপুর ইউনিয়নের রনচাপ গ্রামে তার নাম নিকটাত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে যান।
সন্ধ্যা হয়ে যাওয়ায় এবং গ্রামের রাস্তা খারাপ হওয়ায় পাইকপাড়া বাজারে একটি ভবনের দোতলায় নিজের রাখা বাসায় ওই নারীকে বসিয়ে রাখেন তার ব্যবসায়ী আত্মীয়।
পরে দোকান বন্ধ করে তাকে বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার কথা। ভিকটিমের আত্মীয় চলে যাওয়ার পর পরই ইউপি চেয়ারম্যান ওদুদ বক্সের ভাই যুবলীগ নেতা ছালিক বক্স সহযোগীদের নিয়ে রুমের দরজা ভেঙে সহযোগীদের নিয়ে ওই নারীকে ধর্ষণ করে।
তারা ওই নারীর বিবস্ত্র ছবি তুলে তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে বড় অংকের অর্থ হাতিয়ে নেয়। পরে ভিকটিমের আত্মীয় স্বজন এবারের এলাকাবাসী তাকে উদ্ধার করে পুলিশকে খর দেন।
এই ঘটনায় ওই নারী বাদী হয়ে মামলা দিলে পুলিশ হাসানুল বারী সানী ও সাইফুর রহমানকে গ্রেফতার করে। তবে চেয়ারম্যানের ভাই ছালিক বক্স এখনো পুলিশের ধরাছোঁয়ার বাইরে। কুলাউড়া থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ ওসি আব্দুস ছালেক এ বিষয়ে জানান,আরোও যারা আসামি তাদেরকে আটক করতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।