এম, এ কাশেম জেলা প্রতিনিধি চট্টগ্রাম :: উত্তর চট্টগ্রামের মীরসরাই উপজেলা, ১৬টি ইউনিয়ন ও ২ টি পৌরসভায় বিএনপি’র যে সব নেতা-কর্মী কে রাস্তা-ঘাট সহ কোথাও দেখা পর্যন্ত যায়নি তারা এখন কতিপয় গ্রপিয় নেতাদের আশ্রয়ে-প্রশ্রয়ে অবৈধ ও অনাকাঙ্ক্ষিত কর্মকাণ্ড চালিয়ে দলের বারোটা/তেরোটা বাজিয়ে দিচ্ছে। অথচ, ওই সব নেয় নামধারীরা তাদের গ্রপ ভারী করার জন্য দলের ক্ষতিকারক সাধারণ নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা তো নিচ্ছেন-ই না!
বরং বিগত সময়ে যে সন্ত্রাসীদের জন্য দিনের পর দিন মাসের পর মাস এবং বছরের পর বছর যাবত ঘর-বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে থাকতে গিয়ে মানবেতর জীবন-যাপন করতে হয়েছিলো তাদের কে স্থান দিয়ে প্রতিপক্ষ (নিজ দলীয় নেতা ও তার গ্রুপকে কোণঠাসা করে রাখার অরাজনৈতিক অপতৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে! ইতিমধ্যে বারইয়ারহাট পৌরসভা বাজারে পর পর ২/৩ দিন যে অনাকাঙ্ক্ষিত সন্ত্রাসী ঘটনা ঘটিয়ে বিএনপি ও এর অঙ্গ এবং সহযোগী সংগঠনের প্রায় ২৮/৩০ জন নেতা-কর্মীকে আহত করেছে।
আহতদের মধ্যে সর্বাল্লেখযোগ্য হচ্ছে-চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপি’র সদস্য ও বারইয়ারহাট পৌরসভা বিএনপি’র আহবায়ক দিদারুল আলম মিয়াজির ছোট ভাই ইকবাল হোসেন মিয়াজি, ২ নং হিঙ্গুলী ইউনিয়ন বিএনপি’র আহবায়ক কাজী ছালেহ্ আহমেদ, ৬ নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক বেলাল হোসেন ও বারইয়ারহাট পৌরসভা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক জিয়া উদ্দিন বাবলু মিয়াজি। এ ছাড়া ভাংচুর এর তান্ডব লীলা চালিয়ে ব্যাপক ক্ষতি সাধন করা হয়েছে-বারইয়ারহাট পৌরসভা বিএনপি’র সাবেক সভাপতি মাঈন উদ্দিন লিটন, যুগ্ম আহ্বায়ক কমিশনার জসিম উদ্দিন ও সাইদুল ইসলাম মামুনের ঘর-বাসা-বাড়ির।
ঘটনা প্রসঙ্গে দলের তৃণমূল পর্যায়ের অনেক নেতা-কর্মীর দাবি- যারা পতিত আওয়ামী সরকারের শাসনামলে সকল রক্তচক্ষু কে উপেক্ষা করে দলের বিভিন্ন প্রোগ্রামে অংশ নিয়েছিলো এবং জীবন বাজী রেখে রাস্তায় মিছিল করে দলকে টিকিয়ে রেখেছিলো তাদের কে মূল্যায়ন না করে কতিপয় বিএনপি’র নেতা নামধারীরা বিগত সময়ে যাদের কে দলের কোনো প্রোগ্রামে দেখা যায়নি এবং রাস্তায় করা কোনো মিছিলে পাওয়া যায়নি তাদের কে কাছে টেনে নিজেদের গ্রুপ ভারী করার অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে।
দলের ত্যাগী অনেকেই দায়িত্ববান নেতাদের কাছে দাবি জানিয়ে ওদের কে বিতাড়িত করার কথা বললে ও তারা তাদের কোন কথার মূল্য দিচ্ছে না!
দলের একাধিক প্রবীণ নেতা ও রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ব্যাক্তিরা বলছেন-দায়িত্ববান ওই সব নেতারা এখন বলবে না! তবে, সময় হলে বলতে বাধ্য হবে।
সূত্র জানায়, মীরসরাই উপজেলা ও ১৬ ইউনিয়ন এবং দুই পৌরসভার কয়েকজন দুই নম্বরী নেতার বিষয়ে মনিটরিং চলছে। এবং কয়েক জনের বিরুদ্ধে বহিস্কারের খড়গ ও ঝুলছে। দলের দুর্দিনে যারা ছিলো তাদের কে মূল্যায়ন না করে তারা কাকে করছে তার জন্য ও জবাবদিহি করতে হবে।
আর এটা এখন সময়ের দাবিতে পরিনত হয়েছে। বাস্তবে এর ফলাফল দেখার জন্য অনেকেই অধির আগ্রহী হয়ে অপেক্ষার প্রহর গুনে চলেছেন।