এম, এ কাশেম, চট্টগ্রাম : জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষ হতে না হতেই এবার চট্টগ্রাম জুড়ে সংরক্ষিত আসনে নারী সদস্য হতে শুরু হয়েছে ব্যাপক তোড়জোড়, তদবীর-তৎপরত। আর প্রার্থীতায় মন্ত্রীর মা ও স্ত্রী ও রয়েছেন।
চলতি মাসেই ঘোষণা করা হতে পারে তফসিল এমন আভাস পাওয়া গেছে সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে।
মনোনয়ন প্রত্যাশী নারী নেত্রীরা আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় ও জেলা নেতাদের পাশাপাশি সংসদ সদস্য-মন্ত্রীদের সমর্থন আদায়ের চেষ্টা করে যাচ্ছেন।
সূত্র জানায়, সংসদের প্রথম অধিবেশনে ৫০টি সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
সূত্র নিশ্চিত করেছে, দেশের ইতিহাসে এবারই প্রথম সর্বোচ্চ সংখ্যক ১০ জন সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্য স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যদের ভোটে নির্বাচিত হবেন।
সংসদ অধিবেশন শুরু হওয়ার পরপরই সংরক্ষিত নারী আসনের তফসিল ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন ইসি সচিবালয়ের যুগ্ম সচিব ফরহাদ আহম্মদ খান।
তিনি বলেন, সংসদ সচিবালয়ের পাঠানো ভোটার তালিকা অনুযায়ী এই নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে। স্বতন্ত্র প্রার্থীরা এবার সর্বোচ্চ ১০টি সংরক্ষিত আসন পেতে যাচ্ছেন।
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রামের ৬৮ জন নেত্রী দলীয় মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছিলেন। এদের মধ্যে দুইজনকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছিল। এবার মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করতে পারেন-এমন আলোচিত প্রার্থীরা হচ্ছেন- আওয়ামী লীগের প্রয়াত প্রেসিডিয়াম সদস্য আতাউর রহমান খান কায়সারের মেয়ে, সাবেক সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য ওয়াসিকা আয়শা খান, চট্টগ্রাম মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হাসিনা মহিউদ্দিন,
মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা কাউন্সিলর জোবাইরা নার্গিস খান, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা, মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদের মা অ্যাডভোকেট কামরুন নাহার, দক্ষিণ জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি চেমন আরা তৈয়ব, সাধারণ সম্পাদক শামীমা হারুন লুবনা, উত্তর জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী দিলোয়ারা ইউসুফ, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট বাসন্তী প্রভা রেখা আলম চৌধুরী ও আনজুমান আরা বেগম।
ইসি সূত্র জানায়, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফলের সরকারি গেজেট প্রকাশের পর ৯০ দিনের মধ্যে সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচন অনুষ্ঠানের আইনি বাধ্যবাধকতা রয়েছে। গত ৯ জানুয়ারি নির্বাচনে বিজয়ীদের গেজেট প্রকাশ হওয়ায় ৮ এপ্রিলের মধ্যে এ নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে।
দক্ষিণ জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি চেমন আরা তৈয়ব বলেন, মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করার ইচ্ছে রাখি। নেত্রী যে সিদ্ধান্ত দিবেন তা মেনে নেবো।
সুচিন্তা ফাউন্ডেশন চট্টগ্রাম বিভাগের সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট জিনাত সোহানা চৌধুরী বলেন, আমি শেখ হাসিনার দিন বদলের কাফেলার একজন নিবেদিত সৈনিক হিসেবে দীর্ঘদিন যাবৎ কাজ করছি। একজন নারী হয়ে জঙ্গিবাদ দমনে, মাদ্রাসায় জাতীয় সংগীত গাওয়ানো, জয় বাংলা স্লোগান ফেরি করা,
মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের জঙ্গিবাদে না জড়ানোর শপথসহ দেশপ্রেমে উদ্ভুদ্ধ করে মূল ধারায় সম্পৃক্ত করার কাজ করে আসছি। তাছাড়া করোনাকালীন সময়ে করোনা আইসোলেশন এর মাধ্যমে ৮০০ রোগীকে সুুস্থ করেছি, বিনামূল্যে খাদ্য, চিকিৎসা মেডিসিন সেবা দিয়েছি। প্রধানমন্ত্রী সারা বাংলার খবর রাখেন। আমাকে এই দায়িত্ব দিলে মেধা ও শ্রম দিয়ে দেশের জন্য কাজ করবো।