এম, এ কাশেম জেলা প্রতিনিধি চট্টগ্রাম : উত্তর চট্টগ্রামের মীরসরাই উপজেলার ১৬ টি ইউনিয়নের প্রায় সর্বোত্র ও বারইয়ারহাট এবং মীরসরাই সদর পৌরসভা এলাকায় বিএনপি’র নেতা-কর্মীর পরিচয় দিয়ে চালানো হচ্ছে বিভিন্ন অপকর্ম! আর এর জন্য আগামী দিনে মাশুল দিতে হবে দল কে-ই।
সূত্র মতে-গত ৫ আগষ্টের পর থেকে এই পর্যন্ত হাটে-মাঠে এবং গ্রাম-গঞ্জে বিএনপির নেতা-কর্মীর নাম ও পরিচয় দিয়ে যেই সব অপকর্ম চালানো হচ্ছে তার জন আগামী দিনে দলকে-ই এর মাশুল দিতে হবে নির্ঘাত।
বর্তমানে সর্বোত্র বিএনপির নেতা-কর্মীর নাম-পরিচয় দিয়ে যারা অবাধে চলাফেরা করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে দলকে বিতর্কিত করে চলেছে তাদের কে বিগত আওয়ামী লীগের সময়ে রাস্তা, মাঠ-বা গ্রাম-গঞ্জে কোথাও কি কেউ দেখতে পেয়েছে? তার পর ও যদি তারা মনে-প্রাণে বিএনপি করে থাকে এবং বিএনপি পরিবারের হয়ে থাকে তাহলে দলের চেইন অব কমান্ড মেনে চলতে দায়িত্ববান নেতাদের দিক্ নির্দেশনা দিয়ে যাওয়ার দরকার। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন জায়গায় ওই রকম কর্ম চালানোর খবর জানতে পারলে ও সে দিকে আপাতত: না গিয়ে লিখনির সারসংক্ষেপ উত্তর চট্টগ্রামের মীরসরাই উপজেলা এবং দুই টি পৌরসভা (বারইয়ারহাট ও মীরসরাই সদর) এর কথা বলে যেতে হচ্ছে।
বর্তমানে এখানে যে সব কাজ গুলো বিএনপি’র নেতা-কর্মীর নাম বিকিয়ে করে যাওয়া হচ্ছে তা কি ভালো এবং কারো সমর্থন যোগ্য?
অনেকের ধারণা-একবাক্যে সবাই (প্রায়) বলবেন, তা কোনো ক্রমেই তা ভালো নয় এবং গ্রহনযোগ্য ও নয়। আর সেই কথা টা সাধারণ মানুষ বুঝতে পারলে ও কেবলমাত্র বিএনপি’র দায়িত্ববান নেতারা বুজে না বা বুঝতে চাইতেছে ও না! এটা এক প্রকার রহস্য জনক বলে ও ঠেকছে অনেকের কাছে।
দল নিবেদিত অনেকেই বলছেন, এই ভাবে চলতে থাকলে আগামী নির্বাচনের সময় ‘ধানের শীষ’ এর জন্য ভোট চাইতে গেলে কিন্তু খবর হয়ে যাবে দায়িত্ববান নেতা ও তাদের সমর্থিত সাধারণ নেতা-কর্মীদের।
ফলে, কোনো নেতা-কর্মীকে নয়, আগে দলকে সকল ধরনের দুর্নাম থেকে বাঁচাতে হলে বিএনপি’র নেতা-কর্মী নামধারী ওই সব অপকর্ম কারীদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ভাবে ব্যবস্থা গ্রহন করে দলকে বাঁচাতে হবে।