নিজস্ব প্রতিবেদক চট্টগ্রাম অফিস :
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ও পার্বত্য এলাকা বারইয়ারহাট-রামগড় ও খাগড়াছড়ি সড়কে চলাচলরত: বিভিন্ন গাড়ি দাড় করিয়ে জোরপূর্বক চাঁদা আদায় করার ঘটনায় র্যাব এর একটি টিম ৭ জন চাঁদাবাজকে গ্রেপ্তার করে থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে।
সূত্র জানায়, গ্রেপ্তারকৃতরা দীর্ঘদিন যাবত স্থানীয় ক্ষমতাসীন ব্যাক্তিদের নির্দেশানুসারে মীরসরাই উপজেলার পার্বত্য সড়কে চলাচল রত: করেরহাট বাজার ও ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বারইয়ারহাট পৌরসভা বাজারে অবস্থান করে সড়কে চলাচল রত: বিভিন্ন গাড়ি দাড় করিয়ে প্রকাশ্যে চাঁদাবাজি করে আসছিলো।
স্থানীয় প্রশাসন তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা না নেয়ায় তারা ব্যাপক হারে এবং বেপরোয়া ভাবে তাদের ওই কর্ম সোৎসাহে চালিয়ে যাচ্ছিলো। বিভিন্ন মাধ্যম থেকে পাওয়া অভিযোগের ভিত্তিতে র্যাব’র একটি টিম ৩ এপ্রিল ঘটনাস্থল করেরহাট ও বারইয়ারহাট পৌরসভা বাজারে চাঁদাবাজি কালে তাদের পাকড়াও করে।
এ ছাড়া গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে করেরহাট সিএনজি মালিক ও চালক সমিতির ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি মোঃ রাসেল কে জিজ্ঞাসা বাদের পর তার কাছে থাকা বিপুল পরিমাণ অর্থ ও চাঁদা আদায়ের ভুয়া রশিদ বই তাদের হস্তগত করে। জিজ্ঞাসা বাদে চাঁদা উত্তোলন সহ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে সে।
গ্রেপ্তারকৃতদের কে স্থানীয় পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
তাদেরকে থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করার পর পর-ই তাদের ‘গড ফাদার’ পক্ষিয় কয়েক জন থানায় গিয়ে তাদের কে ছাড়িয়ে তদবির সহ নানাবিধ: দৌড়ঝাঁপ করা শুরু করেছে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়।
এ দিকে এলাকার লোকজন ও ভুক্তভোগী বিভিন্ন গাড়ির চালকরা অত্যন্ত ক্ষোভের সাথে বলেন, যাদের কে গ্রেপ্তার করা হয়েছে তারা দৈনিক মজুর মাত্র। তাদের আসল ‘গড ফাদার’ ধরা ছোঁয়ার বাইরে কেনো? ওই ‘গড ফাদার’ কে গ্রেপ্তার করার জোর দাবি জানান তারা।
সূত্র জানায়, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কোলঘেঁষা ট্রাফিক পুলিশ বক্সে ট্রাফিক পুলিশদের বাইরে সাধারণদের ঘন্টার পর ঘণ্টা অবস্থান করা এবং আনাগোনার ওপর ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ও পার্বত্য সড়কে চাঁদাবাজি ঘটনায় ৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব
নিজস্ব প্রতিবেদক : ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ও পার্বত্য এলাকা বারইয়ারহাট-রামগড় ও খাগড়াছড়ি সড়কে চলাচলরত: বিভিন্ন গাড়ি দাড় করিয়ে জোরপূর্বক চাঁদা আদায় করার ঘটনায় র্যাব এর একটি টিম ৭ জন চাঁদাবাজকে গ্রেপ্তার করে থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে।
সূত্র জানায়, গ্রেপ্তারকৃতরা দীর্ঘদিন যাবত স্থানীয় ক্ষমতাসীন ব্যাক্তিদের নির্দেশানুসারে মীরসরাই উপজেলার পার্বত্য সড়কে চলাচল রত: করেরহাট বাজার ও ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বারইয়ারহাট পৌরসভা বাজারে অবস্থান করে সড়কে চলাচল রত: বিভিন্ন গাড়ি দাড় করিয়ে প্রকাশ্যে চাঁদাবাজি করে আসছিলো।
স্থানীয় প্রশাসন তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা না নেয়ায় তারা ব্যাপক হারে এবং বেপরোয়া ভাবে তাদের ওই কর্ম সোৎসাহে চালিয়ে যাচ্ছিলো।
বিভিন্ন মাধ্যম থেকে পাওয়া অভিযোগের ভিত্তিতে র্যাব’র একটি টিম ৩ এপ্রিল ঘটনাস্থল করেরহাট ও বারইয়ারহাট পৌরসভা বাজারে চাঁদাবাজি কালে তাদের পাকড়াও করে।
এ ছাড়া গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে করেরহাট সিএনজি মালিক ও চালক সমিতির ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি মোঃ রাসেল কে জিজ্ঞাসা বাদের পর তার কাছে থাকা বিপুল পরিমাণ অর্থ ও চাঁদা আদায়ের ভুয়া রশিদ বই তাদের হস্তগত করে।
জিজ্ঞাসা বাদে চাঁদা উত্তোলন সহ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে সে।
গ্রেপ্তারকৃতদের কে স্থানীয় পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
তাদেরকে থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করার পর পর-ই তাদের ‘গড ফাদার’ পক্ষিয় কয়েক জন থানায় গিয়ে তাদের কে ছাড়িয়ে তদবির সহ নানাবিধ: দৌড়ঝাঁপ করা শুরু করেছে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়।
সূত্র জানায়, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বারইয়ারহাট বিশ্বরোডের কোলঘেঁষা ট্রাফিক পুলিশ বক্সে ট্রাফিক পুলিশ ব্যাতিরেকে সাধারণদের ঘন্টার পর ঘন্টা অবস্থান করা এবং তথায় আনাগোনা করা ব্যাক্তিদের বিরুদ্ধে র্যাব’র তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রাখা প্রয়োজন উল্লেখ করে স্থানীয় লোকজন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার ও দাবি জানান।
এ দিকে এলাকার লোকজন ও ভুক্তভোগী বিভিন্ন গাড়ির চালকরা অত্যন্ত ক্ষোভের সাথে বলেন, যাদের কে গ্রেপ্তার করা হয়েছে তারা দৈনিক মজুর মাত্র। তাদের আসল ‘গড ফাদার’ ধরা ছোঁয়ার বাইরে কেনো?
ওই ‘গড ফাদার’ কে গ্রেপ্তার করার জোর দাবি জানান তারা।
তথাপি, যারা প্রশাসনের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছে তারা যেনো আইনের ফাঁকফোকরে দ্রুত জামিনে বের হয়ে এসে পূর্ব কায়দায় চাঁদাবাজির ঘটনা না চালাতে পারে সে জন্য প্রশাসন তাদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে সবাই আশা করেন।