• শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০১:৫২ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
কৃষিপণ্য আমদানিনির্ভরতা থেকে বেরিয়ে আসাই সরকারের লক্ষ্য: কৃষিমন্ত্রী রাজশাহীতে ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারের সেবার মান বাড়াতে কমিশনারের নির্দেশনা অনিয়ম, দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হওয়ায় নওগাঁর মান্দায় কালিকাপুর ইউপি চেয়ারম্যান সাময়িক বরখাস্ত নওগাঁ জেলা জামায়াতের নেতৃত্বে পরিবর্তন, নতুন আমির মাহফুজুর রহমান নর্থ বেঙ্গল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির প্রক্টরিয়াল টিমের সদস্য হলেন প্রভাষক আবু সাঈদ কুষ্টিয়ায় মৃত চেয়ারম্যানের নামে ১০৭ বস্তা চাল বরাদ্দ ফুলবাড়ী উপজেলার মাদিলাহাট ব্যবসায়ী সমিতির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। রাণীনগরে আগাম জাতের ধান কাটা শুরু কৃষকের ঘরে আসছে নতুন সোনালী ফসল রাণীনগরে নানা আয়োজনে জাতীয় যুব দিবস পালিত ফুলবাড়ীতে রাজমিস্ত্রি রুহুল আমিন হত্যার বিচারের দাবিতে লাশ সামনে রেখে মানববন্ধন।।

নৌকার মাঝি হতে বত্রিশ বছর যাবত অপেক্ষায় মুজিব সৈনিক জুবেরী

দিনকাল বিডি / ১৯৭ Time View
প্রকাশঃ বুধবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৩

শেরপুর প্রতিনিধি

মুজিব আদর্শের সৈনিক ইফতেখার হোসেন কাফি জুবেরী। আশির দশকের তুখোর ছাত্র নেতা। শুধু তাই নয় নব্বইয়ের সৈরাচার বিরোধী আন্দোলনেও তিনি সক্রিয় ভুমিকা পালন করেছেন। ৭৫ পরবর্তী সময়টাতে আওয়ামীলীগের নাম নিতে অনেকেই ভয় পেতেন। সেই সময়েই তিনি বুক ফুলিয়ে ছাত্রলীগের রাজনীতি করতেন।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু সপরিবারে হত্যার খবর শুনে তার হাত থেকে মাংসের টুকরা পরে যায়। তিনি প্রতিজ্ঞা করেন এ হত্যার বিচার না হওয়া পর্যন্ত মাছ মাংস খাবেন না। সেই থেকে চৌত্রিশ বছর মাছ, মাংস বর্জন করে ছিলেন। বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রতিবাদে সেই সময়ে গঠিত সশস্ত্র জাতীয় মুক্তিবাহিনী প্রতিরোধ যোদ্ধা হিসাবে কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের যুগ্ম-সাধারন সম্পাদক ছিলেন। বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচারের পর তিনি আনুষ্ঠানিক মাছ মাংস গ্রহণ করেন।

ইফতেখার হোসেন কাফি শ্রীবরদী উপজেলার সওদাগড় বাড়ি গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন। পিতা আব্দুল কাফি সওদাগড় ছিলেন শেরপুর সরকারি ভিক্টোরিয়া একাডেমির প্রধান শিক্ষক ও মহান মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক। জন্মগতভাবেই তিনি আওয়ামী পরিবারের সন্তান। তার ছোট খালা জামালপুর সরকারি জায়েদা সফি মহিলা কলেজের ইংরেজী প্রভাষক এম টি হোসনে আরা রাঙ্গা। তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ও পুর্ব পাকিস্তান আওয়ামীলীগের জামালপুর মহকুমা শাখার সাংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন।

তিনি দীর্ঘ সময় শেরপুর জেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগের প্রতিষ্ঠাতা আহবায়ক ও সভাপতির দায়ীত্ব নিষ্ঠার সাথে পালন করেছেন।

মুজিব আদর্শের এই সৈনিক ১৯৯১ সাল থেকে ১৪৫, শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসন থেকে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের নৌকা প্রতীকের মনোনয়ন চেয়ে আসছেন। কিন্তু মনোনয়ন না পেয়েও তিনি দলীয় প্রার্থীর পক্ষে কাজ করেছেন। আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসন থেকে মনোনয়নের জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছেন। এ লক্ষে তিনি বর্তমান সরকারের নানামুখী উন্নয়নের চিত্র জনগণের সামনে তোলে ধরছেন। তিনি বলেন, উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে ও ৪১ সালের ভিশন স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে জননেত্রী শেখ হাসিনাকে আবারো ক্ষমতায় আনতে হবে।

বুধবার তার সাথে কথা হলে তিনি বলেন, আমি জন্মগতভাবেই আওয়ামী পরিবারের সন্তান। আওয়ামী রাজনীতি করতে গিয়ে অনেক নির্যাতনের শিকার হয়েছি। আমি ১৯৯১ সাল থেকে শেরপুর-৩ আসনে নৌকা প্রতীকের মনোনয়ন চেয়ে আসছি। মনোনয়ন না পেয়েও দলীয় প্রার্থীর পক্ষে কাজ করেছি। আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বানেও আমি নৌকার মনোনয়ন জন্য চেষ্টা করে যাচ্ছি। আমার বিশ্বাস মানবতার মা প্রধানমন্ত্রী শেখ আমাকে এ আসন থেকে মনোনয়ন দিবে। আমি মনোনয়ন পেলে বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়ে আসনটি জননেত্রী শেখ হাসিনাকে উপহার দিবো।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category