• শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:১৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
কৃষিপণ্য আমদানিনির্ভরতা থেকে বেরিয়ে আসাই সরকারের লক্ষ্য: কৃষিমন্ত্রী রাজশাহীতে ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারের সেবার মান বাড়াতে কমিশনারের নির্দেশনা অনিয়ম, দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হওয়ায় নওগাঁর মান্দায় কালিকাপুর ইউপি চেয়ারম্যান সাময়িক বরখাস্ত নওগাঁ জেলা জামায়াতের নেতৃত্বে পরিবর্তন, নতুন আমির মাহফুজুর রহমান নর্থ বেঙ্গল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির প্রক্টরিয়াল টিমের সদস্য হলেন প্রভাষক আবু সাঈদ কুষ্টিয়ায় মৃত চেয়ারম্যানের নামে ১০৭ বস্তা চাল বরাদ্দ ফুলবাড়ী উপজেলার মাদিলাহাট ব্যবসায়ী সমিতির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। রাণীনগরে আগাম জাতের ধান কাটা শুরু কৃষকের ঘরে আসছে নতুন সোনালী ফসল রাণীনগরে নানা আয়োজনে জাতীয় যুব দিবস পালিত ফুলবাড়ীতে রাজমিস্ত্রি রুহুল আমিন হত্যার বিচারের দাবিতে লাশ সামনে রেখে মানববন্ধন।।

বড়াইগ্রামে কাবিখা প্রকল্পে মাটি চাপা পড়ে শিশুর মৃত্যু: তদন্তে প্রশাসন, অভিযোগ দেননি পরিবার

দিনকাল বিডি ২৪ / ৭৮ Time View
প্রকাশঃ সোমবার, ২৬ মে, ২০২৫

আনিসুর রহমান নাটোর জেলা,প্রতিনিধি:

নাটোরের বড়াইগ্রামের বাগডোব গড়িলা বিলে কাবিখা প্রকল্পের মাটি কাটার সময় ধসে পড়া গর্তে চাপা পড়ে নিহত হয়েছে মোস্তাকিম আহমেদ (১০) নামে এক শিশু। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অপর শিশু সাকিব হোসেন (১২) এখনও আশঙ্কাজনক অবস্থায় রয়েছে।

মর্মান্তিক এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এলেও প্রশ্ন উঠছে—কেন ভেকু মেশিন দিয়ে কাবিখার কাজ করা হচ্ছিল? নিয়ম তো বলছে, এসব প্রকল্পে স্থানীয় শ্রমিক দিয়ে কাজ করানো বাধ্যতামূলক।

বড়াইগ্রাম ইউপি সদস্য জান্নাতুল ফেরদৌস রূপসী বাংলাকে বলেন, “ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। একজন শিশুর প্রাণ চলে গেছে, আরেকজন মৃত্যুর সাথে লড়ছে। আমরা বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিচ্ছি। ভেকু ব্যবহারের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান, বিষয়টি তিনি তদন্ত করছেন।”

এদিকে বড়াইগ্রাম থানার ওসি গোলাম সারওয়ার হোসেন রূপসী বাংলাকে জানান, নিহত শিশুর পরিবার কোনো লিখিত অভিযোগ দেয়নি। ফলে আইনি প্রক্রিয়ায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, কাবিখা প্রকল্পে নিয়মবহির্ভূত ভেকু ব্যবহারের বিষয়ে আগে থেকেই প্রশাসনকে জানানো হয়েছিল, কিন্তু কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

এই ঘটনায় কেবল একটি প্রাণ হারায়নি, হারিয়েছে একটি পরিবার তার ভবিষ্যৎ।

রূপসী বাংলা টেলিভিশনের পক্ষ থেকে আমরা জানতে চাই—সরকারি প্রকল্পে যদি নিয়ম ভেঙে ভেকু চলে, আর তার দায় কেউ না নেয়, তাহলে ভবিষ্যতে আর কত মোস্তাকিমের প্রাণ যাবে?

এই প্রশ্নটা রইল সংশ্লিষ্ট প্রশাসন এবং আমাদের সমাজের কাছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category