• শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ১১:২৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
কুষ্টিয়ায় জমি নিয়ে বিরোধে বড় ভাইয়ের দায়ের আঘাতে ছোট ভাইয়ের মৃত্যু সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারের পর নওগাঁয় যমজ নবজাতকের একজনের সন্ধান না পাওয়ার ঘটনায় গ্রেপ্তার ১ নওগাঁর আত্রাইয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত নওগাঁর মহাদেবপুরে সন্তানকে শাসন করায় শাশুড়ির বকাঝকা; অভিমানে গৃহবধূর আত্মহত্যা মহাদেবপুরে নকল সার ও কীটনাশক তৈরির কারখানায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান; দুই লাখ টাকা জরিমানা বাঘায় মাজারের গ্রীল কেটে ও গোরস্থানের দান বাক্স ভেঙ্গে টাকা চুরি! নওগাঁর মান্দায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের তাৎপর্য সম্পর্কে রাজশাহীতে আলোচনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত নাচোলে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত পার্বতীপুরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহিত দিবস পালিত,আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ

যত্ন ছাড়াই প্রাকৃতিকভাবে বেড়ে উঠা ভাঁট ফুল

দিনকাল বিডি / ৮৮ Time View
প্রকাশঃ মঙ্গলবার, ২৫ মার্চ, ২০২৫

আব্দুল হামিদ মিঞা,বাঘা
বাণিজ্যিকভাবে চাষাবাদ না হলেও মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে ভাঁট ফুল। ডালের শীর্ষে পুষ্পদন্ডে ফোটা এই ফুলের রয়েছে মিষ্টি সৌরভ। গ্রামের মেঠো পথের ধারে,পুকুর পাড়ে কিংবা পতিত কোন জমিতে কোনরূপ যতœ ছাড়াই প্রাকৃতিকভাবে বেড়ে ওঠে ভাঁট। গ্রামবাংলার অতি পরিচিত একটি বুনো উদ্ভিদ, ভাঁট, ভাইট, বনজুঁই বা ঘেটু। (বৈজ্ঞানিক নাম- ঈষবৎড়হফবহফৎড়হ ারংপড়ংঁস)। দেখতে কিছুটা পানপাতার আকৃতির ও খসখসে।
বসন্ত থেকে গ্রীষ্ম অবধি ফুল ফোটে। ফুল ফোটার পর মৌমাছিরা ভাঁট ফুলের মধু সংগ্রহ করে। পাপড়ির রং সাদা এবং এতে বেগুনি রঙের মিশেল আছে। ভাঁট গাছের প্রধান কান্ড সোজাভাবে দন্ডায়মান। লম্বা ২ থেকে ৪ মিটার । পাতা ৪ থেকে ৭ ইঞ্চি লম্বা।

জীবনানন্দ দাশের একটি কবিতায় ভাঁট গাছের প্রসঙ্গ এসেছে,
“ভাঁট আঁশ শ্যাওড়ার বন,বাতাসে কী কথা কয় বুঝি নাকো, বুঝি নাকো চিল কেন কাঁদে,
পৃথিবীর কোনো পথে দেখি নাই আমি হায়, এমন বিজন”।

কৃষি সস্প্রসারন অধিদপ্তরের বাঘা উপজেলা অফিসার কৃষিবীদ শফিউল্লাহ সুলতান বলেন, ভাঁট গাছ ঔষধি গুণসম্পন্ন উদ্ভিদ। এছাড়াও সনাতন ধর্মালম্বীরা ভাঁট ফুল দিয়ে ভাঁটি পূজার আয়োজন করে থাকে। হাওড়,খাল-বিল না থাকার কারণে ভাঁট গাছ আগের মতো জন্মায় না। বসন্ত থেকে গ্রীষ্ম অবধি ফুল ফোটে মিষ্টি সৌরভ ছড়ানো ভাঁঁট ফুলের চারিদিকে গুনগুন করতো মৌমাছির দল।
যতœ ছাড়াই প্রাকৃতিকভাবে বেড়ে উঠা ভাঁট ফুল
আব্দুল হামিদ মিঞা,বাঘা
বাণিজ্যিকভাবে চাষাবাদ না হলেও মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে ভাঁট ফুল। ডালের শীর্ষে পুষ্পদন্ডে ফোটা এই ফুলের রয়েছে মিষ্টি সৌরভ। গ্রামের মেঠো পথের ধারে,পুকুর পাড়ে কিংবা পতিত কোন জমিতে কোনরূপ যতœ ছাড়াই প্রাকৃতিকভাবে বেড়ে ওঠে ভাঁট। গ্রামবাংলার অতি পরিচিত একটি বুনো উদ্ভিদ, ভাঁট, ভাইট, বনজুঁই বা ঘেটু। (বৈজ্ঞানিক নাম- ঈষবৎড়হফবহফৎড়হ ারংপড়ংঁস)। দেখতে কিছুটা পানপাতার আকৃতির ও খসখসে।
বসন্ত থেকে গ্রীষ্ম অবধি ফুল ফোটে। ফুল ফোটার পর মৌমাছিরা ভাঁট ফুলের মধু সংগ্রহ করে। পাপড়ির রং সাদা এবং এতে বেগুনি রঙের মিশেল আছে। ভাঁট গাছের প্রধান কান্ড সোজাভাবে দন্ডায়মান। লম্বা ২ থেকে ৪ মিটার । পাতা ৪ থেকে ৭ ইঞ্চি লম্বা।

জীবনানন্দ দাশের একটি কবিতায় ভাঁট গাছের প্রসঙ্গ এসেছে,
“ভাঁট আঁশ শ্যাওড়ার বন,বাতাসে কী কথা কয় বুঝি নাকো, বুঝি নাকো চিল কেন কাঁদে,
পৃথিবীর কোনো পথে দেখি নাই আমি হায়, এমন বিজন”।

কৃষি সস্প্রসারন অধিদপ্তরের বাঘা উপজেলা অফিসার কৃষিবীদ শফিউল্লাহ সুলতান বলেন, ভাঁট গাছ ঔষধি গুণসম্পন্ন উদ্ভিদ। এছাড়াও সনাতন ধর্মালম্বীরা ভাঁট ফুল দিয়ে ভাঁটি পূজার আয়োজন করে থাকে। হাওড়,খাল-বিল না থাকার কারণে ভাঁট গাছ আগের মতো জন্মায় না। বসন্ত থেকে গ্রীষ্ম অবধি ফুল ফোটে মিষ্টি সৌরভ ছড়ানো ভাঁঁট ফুলের চারিদিকে গুনগুন করতো মৌমাছির দল।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category