নওগাঁ প্রতিনিধিঃ নিখোঁজের ৪ দিন পরে গোলাম রাব্বানী (৩৫) নামে মান্দা উপজেলার বিলবাড়ির এক অটোচার্জার ভ্যানচালকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (১৮ আগস্ট) দুপুরে হাতুড় ইউনিয়নের সাগরইল গ্রামের গুন্দইল ঘাট থেকে ভাসমান অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত গোলাম রাব্বানী মান্দা উপজেলার ৫ নং গণেশপুর ইউনিয়নের উত্তর শ্রীরামপুর (বিলবাড়ি) গ্রামের আক্কাস আলী সরদারের ছেলে।
নিহত গোলাম রাব্বানীর চাচাতো ভাই নূরনবী রতন জানান, গত সোমবার (১৪ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে জ্যাঠাতো ভাই গোলাম রাব্বানী খাওয়া দাওয়া করে ভাড়া মারার উদ্দেশ্যে অটোচার্জার ভ্যান নিয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায়। এরপর থেকে তার জ্যাঠাতো ভাই রাব্বানী নিখোঁজ ছিলো। ওইদিন দুপুর ২টার পর থেকে তার ব্যবহৃত ফোনটিও বন্ধ পাওয়া যায়। এরপর আত্মীয়-স্বজনসহ বিভিন্ন স্থানে খুজেঁও জ্যাঠাতো ভাই রাব্বানীর কোনো খোঁজ না পাওয়ায় গত মঙ্গলবার মান্দা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি এবং বৃহস্পতিবার রাতে একটি অপহরণ মামলা করা হয়। আজ শুক্রবার দুপুরে হাতুড় ইউনিয়নের সাগরইল গ্রামের গুন্দইল ঘাট (মহাদেবপুর – পোরশা উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকা শিবপুর বাজার থেকে প্রায় ৫ কিঃমিঃ দক্ষিণ এলাকার একটি খাল) থেকে ভাসমান অবস্থায় তার মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
তিনি আরো বলেন, স্থানীয় জিগাতলা বাজারের সিসি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা যায় সোমবার সকাল ১০টা ২ মিনিটে নিখোঁজ রাব্বানী তার অটোচার্জার ভ্যানে একই এলাকার নাহিদ ও তুহিন নামের দু’জনকে নিয়ে মহাদেবপুরের দিকে যাচ্ছিল। বুধবার বিকেলে সিসি ক্যামেরার ভিডিও ফুটেজটি সংগ্রহের সংবাদ ছড়িয়ে পড়ার পর নাহিদ ও তুহিন গা ঢাকা দেয়। এ ঘটনায় গতকাল বৃহস্পতিবারে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিন নারীসহ চারজনকে আটক করে পুলিশ।
আটককৃতরা হলেন, মৈনম ইউনিয়নের দুর্গাপুর গ্রামের আব্দুস সাত্তার মিস্ত্রি (৫৫), উত্তর শ্রীরামপুর গ্রামের নার্গিস বেগম (৬০) ও সায়েরা বিবি (৫০) এবং নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার শিকারপুর গ্রামের আংগুর বেগম (৫৫)।
এ ব্যাপারে মান্দা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোজাম্মেল হক কাজী ও ম