স্টাফ রিপোর্টার ঃ নওগাঁর মহাদেবপুরে এক মাদ্রাসা ছাত্রের মৃত্যু নিয়ে স্থানীয় সচেতন মহলে রহস্যের গন্ধ ছড়াতে শুরু করেছে। উপজেলার উত্তরগ্রাম ইউনিয়নের বামনসাতা গ্রামের আবিদ হোসেন বাবুর পুত্র আব্দুর রহিম (১০) তাতারপুর মাদ্রাসার মক্তব বিভাগের ছাত্র। জানাগেছে গত ১০ জুন শনিবার দিবাগত রাতে ওই মাদ্রাসার শিক্ষার্থী আব্দুর রহিম তার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মারা যায়।
তবে ওই শিক্ষার্থী মাদ্রাসায় মারা গেলেও প্রচার করা হয় রাতে সে অসুস্থ হলে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তির পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার সকালে তার মৃত্যু হয়। তবে ওই মাদ্রাসার ছাত্র আব্দুর রহিম এর মৃত্যু নিয়ে সচেতন মহলে গুঞ্জন ছড়ানোসহ রহস্যের গন্ধ ছড়িয়ে পড়েছে। নিহতের পরিবারকে ম্যানেজ করে এ ঘটনাকে ধামা চাপা দেয়ারও অভিযোগ উঠেছে। সোমবার বিকেলে নিহতের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, তার বাবা মা, আত্মীয় স্বজন বাড়ির বাইরে রাস্তায় বসে আছেন।
নিহতের বাবা ও মা জানান, দুসপ্তাহ আগে রাহিমকে ওই মাদ্রাসায় ভর্তি করানো হয়। রোববার সকালে তাদেরকে জানানো হয়, অতিরিক্ত ভাত খাবার পর আম খাওয়ায় পেটে গ্যাস সৃষ্টি হয়ে রহিম মারা গেছে। দুপুরে তাকে দাফন করা হয়। মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ এ জন্য কোন ক্ষতিপূরণ দিয়েছেন কিনা জানতে চাইলে আবিদ হোসেন জানান, তার চাচা আব্দুল আলিম বিষয়টি বলতে পারবেন। আব্দুল আলিম এব্যাপারে কথা বলতে চাইলে একজন মহিলা হাত ইশারা করে তাকে কোন কিছু বলতে নিষেধ করেন।
মাদ্রাসার মোহতামিম মাওলানা আব্দুল মান্নান জানান, রাতে পেট ব্যাথা করছে বালে জানালে রাতেই রহিমকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। সেখানে চিকিৎসারত অবস্থায় সকালে সে মারা যায়। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: খুরশিদুল ইসলাম জানান, রোববার ভোর ৫ টা ৪৫ মিনিটে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হয়।
কিন্তু তার কয়েক ঘন্টা আগেই রহিমের মৃত্যু হয়। হাসপাতালে নিহত আব্দুর রাহিমের বাবার নাম আবিদ হোসেন বাবু না লিখে রহস্যজনক কারণে ‘খোকা’ লেখা হয়। এসব বিষয়ে এসব বিষয় মোহতামিম আব্দুল মান্নান কোন সদুত্তর দিতে পারেননি। মহাদেবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোজাফফর হোসেন জানান, এব্যাপারে থানায় কেউ কোন অভিযোগ দায়ের করেননি
মহাদেবপুরে মাদ্রাসা ছাত্রের