• সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০১:১৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
রাণীনগরে নানা আয়োজনে জাতীয় যুব দিবস পালিত ফুলবাড়ীতে রাজমিস্ত্রি রুহুল আমিন হত্যার বিচারের দাবিতে লাশ সামনে রেখে মানববন্ধন।। সৌদি আরবে অগ্নিকাণ্ডে নিহত নওগাঁর ৫ প্রবাসীর মরদেহ দাফন নওগাঁর মান্দায় ভালাইন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আবুল কালাম আজাদের ব্যাপক গণসংযোগ রাজশাহীতে ডিবির অভিযানে পালিয়েছে কুখ্যাত মাদক কারবারী মাসুম ভারতীয় সিরাপসহ প্রাইভেট কার জব্দ, গ্রেপ্তার ১২ রাজশাহীতে পথকুকুরের মুখে খাবার তুলে দিচ্ছেন কাজল রেখা রাজশাহীতে ৫২ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারী গ্রেপ্তার বাঘায় বৃদ্ধাকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ, ২২ বছরের নারীকে কিশোরী দেখিয়ে থানা থেকে ছাড়ার দাবি রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতে এগিয়ে মেয়েরা, ৩৯ কলেজে কেউ পাস করেনি নওগাঁর মান্দায় এমপির সঙ্গে প্রসাদপুর দলিল লেখক সমিতির নতুন কমিটির শুভেচ্ছা বিনিময়

সংসদ সদস্যের ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সনদ বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন

দিনকাল বিডি / ১৫৯ Time View
প্রকাশঃ শুক্রবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ
কুড়িগ্রাম-৩ উলিপুর আসনের সংসদ সদস্য এম এ মতিন ও দেলোয়ার হোসেনের নামে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলে বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তালিকাভুক্ত হওয়ায় তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে উলিপুর উপজেলার সচেতন মুক্তিযোদ্ধাগণ। শুক্রবার(১৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে কুড়িগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে প্রতিবাদের অংশ হিসেবে কুড়িগ্রাম-চিলমারী সড়কে ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধনের পর প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় লিখিত বক্তব্য পাঠ করে শোনান- উলিপুর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার, উলিপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উলিপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ গোলাম হোসেন মন্টু।
অন্যান্য মুক্তিযোদ্ধাদের পক্ষে বক্তব্য রাখেন- বীর মুক্তিযোদ্ধা মজিবুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহাজাহান আলী, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মজিদ প্রমুখ।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম হোসেন মন্টু বলেন, সংসদ সদস্য এম এ মতিন ১৯৭৯ সালে ঢাকা কেন্দ্রীয় জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের অন্যতম সদস্য ছিলেন। তার পরিবার রাজাকার পরিবার। তার ভাই আব্দুল করিম ছিলেন উলিপুর উপজেলা রাজাকার কমান্ডার। তারা মুক্তিযোদ্ধা নির্যাতনকারী। তিনি কোনো দিন মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন নাই।
তিনি আরও বলেন, লাল মুক্তিবার্তা, ভারতীয় তালিকা এবং ২০০৫ সালে প্রকাশিত গেজেটে তার নাম নেই। তিনি ২০১৪ সালে অনলাইনে আবেদনও করেন নাই এবং সেই তালিকায় তার নাম নাই। ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে তিনি গেজেটে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে নিজেকে দাবি করে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের অপমানিত করেছেন। এছাড়াও দেলোয়ার হোসেন নামে অপ্রাপ্ত বয়স্ক একজনকে মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি প্রদান করা হয়েছে।
তার দাবি, আমরা এই দুই ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার নাম বাতিলের আহবান করছি। নাহলে আমরা তাদের বিরুদ্ধে মামলা করতে বাধ্য হবো।

এ ব্যাপারে সংসদ সদস্য এম এ মতিন জানান, বিষয়টি রাজনৈতিক বিদ্বেষপ্রসূত। আমি ২০১১ সালে আবেদন করেছি। যাচাই-বাছাই ও নিয়মতান্ত্রিকভাবে সরকার আমাকে বীর মুক্তিযোদ্ধা খেতাব অনুমোদন দিয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category