• মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬, ০৯:০৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
শিবপুর বাজারের আধুনিক ভবনে রাকাব হাজীনগর শাখা স্থানান্তর কুষ্টিয়ায় নির্মাণাধীন ড্রেনে ডুবে শিশুর মৃত্যু রাণীনগরে সরকারিভাবে বোরো ধান-চাল সংগ্রহ অভিযানের শুভ উদ্বোধন রাণীনগরে রাস্তা নির্মাণে বাধা: চরম ভোগান্তিতে কয়েকশ পরিবার আড়ানী রেলওয়ের স্টেসন এলাকায় সংস্কার কাজে কেউ বাধা দেয়নি কিংবা এমপি চাঁদ কাজটি বন্ধ করে দেননি পবায় নগদ টাকা ও তাসসহ ৬ জুয়াড়ি গ্রেফতার পূর্ণ আমানত ও মুনাফা ফেরতের দাবিতে রাজশাহীতে ভুক্তভোগীদের মানববন্ধন যাত্রীবেশে বাসে ফেনসিডিল পরিবহনকালে রাজশাহীতে দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার চারঘাটে বিপুল পরিমান ইয়াবাসহ মাদক কারবারী গ্রেফতার নওগাঁর আত্রাইয়ে ২২২ পিচ অ্যাম্পুল ও হেরোইনসহ ২ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

গাজীপুর-৩ আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী ডাঃ মো. শফিকুল ইসলাম

দিনকাল বিডি / ১০৩১ Time View
প্রকাশঃ মঙ্গলবার, ২৬ নভেম্বর, ২০২৪

শ্রীপুর প্রতিনিধি।

মানুষের বিপদ কিংবা আনন্দ, সুখ বা দুঃখ, প্রয়োজনে বা শুভেচ্ছা বিনিময়ে গাজীপুর-৩ আসনের মানুষের যে নামটা সবার আগে মনে চলে আসে তিনি ডাঃ মোঃ শফিকুল ইসলাম। মুসলিম বা হিন্দু, কিংবা অন্য ধর্মের মানুষ তাদের ধর্মীয় উৎসবেও সবার আগে ছুটে যান ডাঃ মো. শফিকুল ইসলাম কাছে।

তাই তিনি পরিচিতি পেয়েছেন মানব ধর্মের নেতা হিসেবে। গাজীপুর-৩ আসনের আপামর মানুষের ভরসার জায়গা তিনি। গাজীপুর-৩ আসনের দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে তৃণমূলের জনপ্রিয়তায় এগিয়ে রয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী গাজীপুর জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি ডাঃ মো.শফিকুল ইসলাম এমনটাই জানিয়েছেন দলীয় নেতা-কর্মীরা।

তিনি এ আসনে প্রতিনিয়ত অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। নেতাকর্মীদের নিয়ে বিভিন্ন ইউনিয়নের পাড়া মহল্লা, হাট-বাজার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও জনসুম্মুখে মতবিনিময় সভা করে যাচ্ছেন।

ডাঃ মো.শফিকুল ইসলাম বলেছেন, সমাজ সেবা মনে প্রশান্তি আনে, মানুষের জন্য ভালোবাসার সৃষ্টি করে, ত্যাগের মনোভাব তৈরি করে এবং লোভ, লালসা ও বিদ্বেষ থেকে দূরে রাখে। এরকম মানুষ সবার প্রিয় হয়ে ওঠে। তাই মানুষের মাঝে বেঁচে থাকার মাধ্যম হলো সমাজ সেবা।

জানা গেছে ডাঃ মোঃ শফিকুল ইসলাম ১৯৬৬ সালে গাজীপুরের শ্রীপুর পৌরসভার গিলার চালা গ্রামে সম্ব্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম গ্রহন করেন, পিতা মৃত আলহাজ্ব আঃ কাদির আকন্দ ও মাতা মোছাঃ ছবরেন্নেছা বেগম।১৯৮১ সালে আলহাজ্ব ধনাই বেপারী মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এস এস সি এবং ১৯৮৩ সালে ভাওয়াল বদরে আলম সরকারি কলেজ থেকে কৃতিত্বের সাথে এইচ এস সি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন।

এরপর ১৯৯০ সালে ঢাকা স্যার সলিমুল্লাহ চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় ও মিটফোর্ড হাসপাতাল থেকে এম বি বি এস ডিগ্রি লাভ করেন তিনি। জানা গেছে, তাঁর পিতা মরহুম আলহাজ্ব আঃ কাদির আকন্দ ছিলেন সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। ঢাকা ময়মনসিংহ মহাসড়কে মাষ্টার বাড়ী বাজার একটি পরিচিত নাম যা ডাঃ মো. শফিকুল ইসলামের পিতার নামে প্রতিষ্ঠিত।

জানা গেছে, শ্রীপুর উপজেলার মাওনা চৌরাস্তায় নিজস্ব ভবনে স্থাপিত আধুনিক এ কে মেমোরিয়াল হাসপাতালের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান তিনি। এই হাসপাতালটি উদ্বোধন করেছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সম্মানিত সদস্য ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আ স ম হান্নান শাহ এবং উপস্থিত ছিলেন বি এন পি চেয়ারপার্সনের সম্মানিত উপদেষ্টা ও গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচিত মেয়র অধ্যাপক এম এ মান্নান, চেয়ারপার্সনের সম্মানিত উপদেষ্টা ডাঃ এ জেড এম জাহিদ,স্বেচ্ছাসেবক দল কেন্দীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি হাবিব উন নবী খান সোয়েল, ওলামা দল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাবেক সভাপতি মাওলানা এম এ মালেক সহ বিএনপির কেন্দ্রীয় ও জেলার নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। জানা গেছে, আজীবন গিলার চালা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দাতা ও প্রতিষ্ঠাতা।

জানা গেছে, পিয়ার আলী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ এর আজীবন দাতা সদস্য ও সাবেক পরিচালনা পরিষদের সদস্য। জানা গেছে, তিনি শ্রীপুর বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ এর সাবেক পরিচালনা পরিষদের সদস্য। কেওয়া তমির উদ্দিন আলিম মাদ্রাসার সাবেক পরিচালনা পরিষদ সদস্য। গাজীপুর মুক্তিযোদ্ধা কলেজ এর সাংগঠনিক সদস্য (প্রতিষ্ঠাকালিন)।

গিলার চালা ঈদগাহ ময়দানের দাতা সদস্য। এছাড়াও শ্রীপুর উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের সাথে জড়িত। তিনি গাজীপুর জেলা বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন (একাধিকবার)। আরো জানা গেছে, ১৯৯৮ সনে শ্রীপুর উপজেলা বিএনপি’র সম্মেলন পরিচালনা কমিটির যুগা সদস্য সচিব ছিলেন তিনি। ২০০৮ সনে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষের পক্ষে অধ্যাপক এম এ মান্নানের নির্বাচনপরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৩ সনে গাজীপুরে দেশনেত্রী, বিএনপির’র চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার জনসভা উপলক্ষে গঠিত অর্থ কমিটির ছিলেন সদস্য। ২০১৪ সনে বিএনপি’র অংশ গ্রহনে শ্রীপুর উপজেলা নির্বাচনে ধানের শীষের প্রার্থীর নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন।

২০০৬ ও ২০০৮ সনে শ্রীপুরে অনুষ্ঠিত দেশনেত্রী বিএনপি’র চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার নির্বাচন প্রচারনা উপলক্ষে বিশাল দুইটি জনসভা শ্রীপুর উপজেলা বিএনপি’র সাধারন সম্পাদক হিসাবে পরিচালনা করেন। ৪ দলীয় জোট প্রার্থী হিসাবে শ্রীপুর পৌরসভা নিবাচনে ২ বার অংশ গ্রহন করেন ২০০২ এবং ২০০৭ এর সময়। আরো জানা গেছে, চিকিৎসা সেবা প্রতিষ্ঠান ও মানবসেবক হিসাবে বিশেষ অবদানের জন্য ইউনাইটেড মুভমেন্ট হিউম্যান রাইটস কর্তৃক “মহান স্বাধীনতা সম্মাননা পেয়েছিলেন ২০১৬ সালে।

শুধু তাই নয়, সেই ছোট কাল থেকে লেখাপড়ার পাশাপাশি সক্রিয় রাজনিতীতে অংশ গ্রহন শুরু করেন। ১৯৮৮- ৯০ এর স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের উত্তাল দিনগুলিতে ছাত্রদলের কর্মী হিসাবে সক্রীয় অংশ গ্রহনের মাধ্যমে স্যার সলিমুল্লাহ চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সহ সভাপতি হিসাবে নাম লেখাতে সক্ষম হন।

১৯৯০ সালে এম বি বি এস ডিগ্রী অর্জন করে এবং একই বছরে জাতীয় নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের প্রার্থীর পক্ষে শ্রীপুর উপজেলা বিএনপির সাথে সক্রীয় অংশ গ্রহন করেন তিনি। ডক্টরস্ এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) এর সূচনা লগ্ন থেকে সম্পৃক্ত ছিলেন বিধায় এমবিবিএস পাশ করার সাথে সাথেই ড্যাব এবং বি এম এর সদস্য হন এবং পরবর্তীতে আজীবন সদস্য পদ গ্রহন করেন।

রাজনৈতিক উচ্চাকাক্ষার কারণে সরকারী চাকুরীতে যোগদান না করে ১৯৯২ সনে থেকে শ্রীপুর উপজেলা বিএনপির সাথে সম্পৃক্ত থাকেন এবং একই সাথে গ্রামের সহজ সরল সাধারণ দরিদ্র জন গোষ্ঠীকে চিকিৎসা সেবা প্রদানের লক্ষ্যে পিতার নামে হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করেন। চিকিৎসা সেবা ও রাজনীতি পাশাপাশি চলতে থাকে। ১৯৯৪ সনে গঠিত শ্রীপুর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটিতে অন্যতম যুগা-আহবায়ক নির্বাচিত হয়েছেন। ১৯৯৬ থেকে আজ পর্যন্ত উপজেলা, জেলা এবং জাতীয় পর্যায়ের সকল রাজনৈতিক কর্মকান্ডে সক্রীয় অংশ গ্রহন করে আসছেন তিনি।

২০০৩ থেকে ২০০৯ সন পর্যন্ত উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। উল্লেখিত সময়ে বিভিন্ন ধরনের হামলা ও রাজনৈতিক মামলার স্বীকার হন। উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন কালে ২০০৭ এবং ২০০৮ সালে মুসলিম বিশ্বের প্রথম নির্বাচিত মহিলা প্রধানমন্ত্রী ও বিশ্বের তিন তিন বার নির্বাচিত একমাত্র মহিলা প্রধানমন্ত্রী, আপোষহীন নেত্রী, দেশনেত্রী, বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার দুইটি জনসভা পরিচালনা করেন তিনি। বর্তমানে শ্রীপুর উপজেলার অনেক এতিমখানা, মসজিদ ও মাদ্রাসার উন্নয়ন কর্মকান্ডের সাথে জড়িত এবং আজীবন অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি। রাজনৈতিক মামলা।

গাজীপুর সদর মেট্রো থানা বিশেষ ট্রাইবোনাল, মামলা নং- ৭০(৯)১৮ ১৬৯/১৯। শ্রীপুর থানা-মামলা নং- ৬৮(১)১৯। শ্রীপুর থানা-মামলা নং- ২১(১)২১। ঢাকা-(শ্রম আদালত) মামলা নং- ৩৬/২০২১।
ডাঃ মো. শফিকুল ইসলামের বর্তমান রাজনৈতিক কর্মকান্ড। তিনি গাজীপুর জেলা বিএনপি’র সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসাবে সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করছেন। স্বোচ্ছাসেবক দল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক হিসাবে সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করছেন। কেন্দ্রীয়, জেলা এবং শ্রীপুর উপজেলার স্থানীয় সকল রাজনৈতিক কর্মকান্ডে সক্রিয় অংশ গ্রহন করছেন। অবিষ্যৎ পরিকল্পনা। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এর প্রতিক ধানের শীষের মনোনয়ন প্রত্যাশি ডাঃ মো. শফিকুল ইসলাম। বিএনপি’র একজন কর্মী হিসাবে তিনি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে গনতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার ৩১ দফা এবং বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ বাস্তবায়নে আজীবন সংগ্রাম চালিয়ে যাবেন বলে জানান তিনি। তিনি ডাক্তার হিসাবে জনগনের স্বাস্থ্যসেবা সহ মানর কল্যানে জীবন অতিবাহিত করতে চান যা এখন অব্যাহত আছে। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের ছত্রছায়া পেলে রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, পেশা ও কর্মদক্ষতা কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলকে সুসংগঠিত ও সুনাম বৃদ্ধি করার সর্বোচ্চ প্রয়াশ চালিয়ে যাবে এবং বর্তমানে অব্যাহত আছে।

রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরনে দলের আদর্শ বাস্তবায়নে সফল কর্মসূচী হাতে নিতে চান তিনি। শ্রীপর উপজেলা তথা গাজীপুর-৩ সংসদীয় আসনকে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, ধর্মীয়, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সহ সকল ক্ষেত্রে বাংলাদেশের জন্য একটি মডেল এলাকা হিসাবে গড়ে তুলার অদম্য অগ্রহ সর্বদাই লালন করে এবং বিএনপি’র দুর্গ হিসাবে গড়তে চান ডাঃ মো.শফিকুল ইসলাম।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category